iftar_for_ramadan-daraz.com.bd

পবিত্র মাহে রমজানে সুস্থ থাকতে চাই স্বাস্থ্যকর ইফতার

বাইরে এখন গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ। এর মধ্যেই বছর ঘুরে হাজির হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। তাই বলে কি রোজা রাখবেন না? এই গরমে সারাদিন না খেয়ে থাকাটা স্বাস্থ্যের জন্য বিরাট ঝুঁকি হতে পারে যদি না ইফতারের সময় টেবিলে থাকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। ইফতারে পুষ্টিকর খাবার মেনু শুধু আপনার সারাদিনের পুষ্টির চাহিদাই পূরণ করবে না, সাথে যোগাবে সুস্থ শরীরে পরের দিন রোজা রাখার শক্তি। তাই শুধু ইফতার ও সেহরীর সময়সূচী ২০১৯ জানলেই হবে না, সেই সাথে জানতে হবে কিভাবে গরমের মধ্যেও ইফতারের সঠিক নিয়ম মেনে সুস্থ থাকতে হয়।

রমজান মানেই টেবিলভর্তি বিভিন্ন মজাদার ইফতার আয়োজন। ঘরে ঘরে গৃহিণীদেরও ইচ্ছে থাকে ইফতারের আয়োজনটা হোক কিছুটা আলাদা। তাই রোজার মাস এলেই চারিদিকে দেখা যায় হরেক রকমের ইফতার আইটেম এর রেসিপি। কিন্তু প্রায়ই আমরা ইফতারের গুরুত্বকে অবহেলা করে অস্বাস্থ্যকর ইফতার রেসিপিতে ভর্তি করে ফেলি ইফতারি খাবার টেবিল- যা একেবারেই অনুচিত। এছাড়া আমাদের দেশে সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারে তেলে ভাজা ও চর্বি সমৃদ্ধ খাবারের অভ্যাস দেখা যায়, যা তৈরী করতে পারে মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

এই গরমে ইফতারের খাবার উপাদান হিসেবে যেসব আইটেম থাকা দরকার প্রতিদিনকার ইফতারি আয়োজনে

পুষ্টিকর পানীয়

রমজান এলেই বিভিন্ন আকর্ষণীয় ইফতার রেসিপি দেখা যায় টিভিতে, পত্রিকায়, সবখানে। কিন্তু সেই তুলনায় পুষ্টিকর তরল খাবার নিয়ে সচেতনতা দেখা যায় না। অথচ গরমে সারাদিন রোজা রাখলে দেহে দেখা দেয় মারাত্নক পানিশূন্যতা। শরীরের পানির এই ঘাটতি পূরণ করতে ইফতারে বেশি করে পুষ্টিকর পানীয় রাখতে হবে। ইফতারে পানীয় হিসেবে রুহ আফজা, ট্যাং ও লেবুর সরবত জনপ্রিয়। কিন্তু দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে ইফতার টেবিলে রাখতে পারেন বিভিন্ন তাজা ফলের জুস, লেবু পানি, কচি ডাবের পানি, আখের রস ও গুড়ের শরবত প্রভৃতি। এছাড়া শরবত তৈরিতে ব্রাউন সুগার, তাল মিছরি, গুড় ও মধুর ব্যবহার আপনার পানির চাহিদার পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করবে শতভাগ।

মৌসুমী ফল

বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আম, লিচু, জাম, কাঁঠাল, আনারস সহ গ্রীষ্মের বিভিন্ন মৌসুমী ফল। আমাদের দেশে ইফতার ফল দিয়ে করার খুব একটা প্রচলন নেই। যদিও পৃথিবীর অনেক দেশেই ইফতারে ফলাহার করার রীতি রয়েছে। এইসব মৌসুমি ফল একইসাথে সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও পানিশূন্যতা দূর করতে অতুলনীয়। কারণ ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও মিনারেল, যা আপনাকে এই গরমে রাখবে সুস্থ। এছাড়া ফলের তৈরী বিভিন্ন খাবার ও মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট রাখতে পারেন ইফতারের উল্লেখযোগ্য খাবার হিসেবে।

কাঁচা ছোলা

বাংলাদেশে ইফতারে ছোলা একটি জনপ্রিয় খাবার। ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তবে অতিরিক্ত তেল ও মসলায় ভুনা ছোলা অনেক সময় উপকারের থেকে ক্ষতিই করে বেশি। তারচেয়ে বেশি উপকার পেতে পারেন কাঁচা ছোলায়। ছোলা ভাল করে ধুয়ে সারারাত ভিজিয়ে ইফতারের আগে আগে পেঁয়াজ, রসূন, মরিচ, আদা ও খাঁটি সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। এছাড়া সিদ্ধ ছোলার সাথে পেঁয়াজ, মরিচ, শশা, টমেটো ইত্যাদি মিশিয়ে খেলেও অনেক খাদ্য আঁশ ও প্রোটিন পাওয়া যায়, যা আপনার ক্লান্ত শরীরে যোগাবে প্রয়োজনীয় প্রাণ শক্তি।

মিষ্টি জাতীয় খাবার

ইফতারে চিড়া, খেজুর ও আখের গুড়, পাটালি, জিলাপি ও বন্দিয়া জাতীয় খাবারের প্রচলন রয়েছে আমাদের দেশে। তবে ইফতারিতে একটি আদর্শ খাবার হতে পারে দই-চিড়া ও দুধ-চিড়া অথবা কলা-চিড়া ও আম-চিড়া। এইসব খাবার পেট ঠান্ডা রাখে ফলে গ্যাসের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকে না। তাই সেহরি ও ইফতারের খাবার হিসেবে এই ধরণের খাবার বেশি পরিমাণে রাখতে পারেন মেনুতে। এছাড়া পরিমিত পরিমাণে মিষ্টান্নের সাথে দুধের তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন ফালুদা, কাস্টার্ড, পুডিং, ফিরনি বা পায়েস ও সেমাই ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে চা-কফি কিংবা পেট গরম করে এমন খাবারের পরিমাণ যত কম খাওয়া যায় ততই মঙ্গল।

শাকসবজি

উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ শাকসবজি আপনাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়, যা আপনার শরীরের জন্য অতি দরকারি। তাই মাঝে মাঝে চকবাজারের ইফতার খেতে পারেন, কিন্তু খেয়াল রাখবেন অধিকাংশ সময়ই যেন ইফতার আলুর চপ, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার, হালিম, বিরিয়ানি প্রভৃতি কম থাকে। তারচেয়ে সবজি পাকোড়া, সবজীর স্যুপ, শাকের বড়া, বেগুনী ও রসূনের চপ প্রভৃতি খাবার বেশি উপকারি হতে পারে।

– এছাড়া ইফতারের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মনে রাখতে পারেন –

  • মাগরেবের আযান পড়ার সাথে সাথে খুব তাড়াহুড়া করে অধিক পরিমাণে ইফতার করা উচিৎ নয়। কারণ সারাদিন না খেয়ে থাকার পর একসাথে অনেক বেশি খাবার আপনার জন্য অপকারী হতে পারে। ধীরে ধীরে সময় নিয়ে ইফতার করুন।
  • অনেকেই ডায়েট ইফতার করেন যেটা একেবারেই উচিৎ না। সারাদিন না খেয়ে থেকে এমনিতেই আপনার শরীর দুর্বল থাকে। তাই ইফতারে ডায়েট না করে সুষম খাবার গ্রহণের প্রতি মনযোগী হওয়া উচিৎ।
  • চেষ্টা করবেন ইফতারে যেন সব ধরণের খাদ্য উপাদান থাকে।
  • ইফতারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ঠিক না। তারচেয়ে অল্প বিরতিতে কিছুক্ষণ পর পর খাবার গ্রহণ করতে পারেন।
  • ইফতার করার পরপরই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছুটা হাঁটাচলা করুন।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন, ইদানিং গরম বেশি বলে আগেই পানি ফ্রিজ এ রাখতে পারেন কিংবা ফ্রিজের বরফ ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন রোজা রাখার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পানিশুন্যতা, যা আপনাকে হিটস্ট্রোকের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে শুরুতেই একসাথে অনেক পানি পান করা অনুচিৎ।

আরো দেখুনঃ সেহেরীর খাবার তালিকা

চোখের ভিতরে চোখ – কন্টাক্ট লেন্স ও সমস্যার বিস্তারিত

চোখের ভিতরে চোখ – কন্টাক্ট লেন্স ও সমস্যার বিস্তারিত

মানুষের দৃষ্টি শক্তি যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তো বলার কোন অপেক্ষাই রাখে না। চোখের দৃষ্টি শক্তির উন্নয়নে মানুষ কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকে। যেমন একটা সময় পর্যন্ত মানুষ শুধুমাত্র পাওয়ার চশমার উপরই বেশি মাত্রায় নির্ভরশীল থাকতো। কিন্তু ফ্যাশন যেহেতু তার আপন ধারায় চলতেই থাকে, তাই ট্রেন্ডের বাজি ধরে চোখের লেন্স এখন মানুষের জন্য সময়ের সবচেয়ে বড় হট কেক হয়ে দাঁড়ালো। আমাদের দেশে চোখের লেন্স কে চশমার বিকল্প হিসেবে ভাবা শুরু হয়েছে অনেক আগ থেকেই। দেশের আইওয়্যার এর বাজারে তাই ফ্যাশনে চোখের লেন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছে।

দেশের অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এখন অবশ্য বিভিন্ন ধরণের চোখের লেন্স বা কন্টাক্ট লেন্স অনেক বেশি পরিমাণে সহজলভ্য হয়ে উঠতে শুরু করেছে। আর চোখের লেন্সের নিরাপদ অনলাইন শপিং এর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন শপ দারাজ বাংলাদেশের দৌরাত্বও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে ফ্যাশন প্রিয় তরুণ-তরুণীদের সবচেয়ে বেশি মাত্রায় আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে যে আইওয়্যার টিতে, সেটি হল কালারফুল লেন্স। আর দারাজের আইওয়্যার ক্যাটাগোরিতে এখন খুব সহজেই খোঁজ পেতে পারেন বিভিন্ন ধরণের কালারফুল লেন্স সহ আকর্ষণীয় ডিজাইনের স্টাইলিস লেন্স। তবে এসব লেন্সের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইওয়্যার হল কন্টাক্ট লেন্স, মূলত চশমার বিকল্প হিসেবেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে এই লেন্স। এখন দারাজে পাওয়া যাচ্ছে লাল, সবুজ, নীল, হলুদ সহ বিভিন্ন কালারের চোখের কন্টাক্ট লেন্স।

কনটাক্ট লেন্সঃ

কন্টাক্ট লেন্সের ধরণ
কন্টাক্ট লেন্স সাধারণত তিন ধরণের হয় – হার্ড কন্টাক্ট লেন্স, আর জি পি কন্টাক্ট লেন্স ও সফট কন্টাক্ট লেন্স।

সাধারণত চোখের লেন্স বা কন্টাক্ট লেন্স বলতে ডিসপোজেবল কন্টাক্ট লেন্সকেই বোঝানো হয়ে থাকে। অতি সূক্ষ এসব কনটাক্ট লেন্স বর্তমানে আমাদের দেশে বৃহৎ পরিসরে চিকিৎসার পাশাপাশি ফ্যাশনেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

তবে অপটিক্যাল লেন্স আসলে চশমার বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাওয়ার সংযুক্ত এসব অপটিক্যাল লেন্স অত্যন্ত স্বচ্ছ হয়ে থাকে। পছন্দ অনুসারে বিভিন্ন কালারের অপটিক্যাল লেন্স এখন দারাজে পাওয়া যাচ্ছে।

ফ্যাশন প্রিয় তরুণ-তরুণী সহ বিভিন্ন ফ্যাশন সচেতন মানুষের কাছে কন্টাক্ট লেন্সের আবেদন এখন আর নতুন কিছু নয়। বস্তুত নিজেকে আকর্ষণীয় কিংবা কিছুটা নান্দনিকভাবে উপস্থাপনের আকাঙ্খা থেকেই আজকাল বিভিন্ন রঙের ও হালকা ডিজাইনের লেন্স ব্যবহৃত হচ্ছে। নীল, অ্যাকোয়া, হালকা সবুজ, বাদামি ইত্যাদি লেন্সের সঙ্গেই আজকাল ক্যাটস আই, ফ্লােরাল মোটিফ, জ্যামিতিক ডিজাইনের চাহিদা বাড়ছে। আর বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে johnson and johnson কন্টাক্ট লেন্স।

এছাড়াও দারাজে এখন যেসব ব্র্যান্ডের কন্টাক্ট লেন্স বেশ সাশ্রয়ী মূল্যেই পাওয়া যাচ্ছে – 

acuvue lens, bausch + lomb lens, biofinity lens, dailies lens, fresh look lens, air optix lens, igel lens, aqua flexi lens

কন্টাক্ট লেন্সের উপযোগিতাঃ
  • চশমাতে যাদের অরুচি আছে, পাওয়ার যুক্ত কন্টাক্ট লেন্স তারা ব্যবহার করতে পারেন। প্লাস, মাইনাস অ্যাসটিগমেটিক সহ সব ধরনের কন্টাক্ট লেন্স বর্তমানে দারাজ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।
  • চোখের মনিতে পুরনো ঘা থাকলে ব্যান্ডেজ কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারেন।
  • চোখে চুন বা ক্ষতিকর কোন পদার্থ পড়লে চোখকে রক্ষা করার জন্য কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • চোখের মনির পুরনো দাগ লুকানোর জন্য কসমেটিক কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারেন।
  • যাদের আলোতে সমস্যা বা আলোর প্রতি যারা একটু বেশি মাত্রায় সংবেদনশীল, কিংবা যাদের চোখের জন্মগত ক্রটি আছে, তারাও বিশেষ ধরনের এই কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারেন।
  • যেকোন বয়সী ফ্যাশন সচেতন মানুষ বিভিন্ন ডিজাইনের রঙিন কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করে চোখের আকর্ষণ বাড়াতে পারেন।
কন্টাক্ট লেন্স এর ব্যবহার বিধিঃ
  • বিশেষত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা ভাল। নিয়মিত নির্দিষ্ট সল্যুশন বা তরল দিয়ে কন্টাক্ট লেন্স  পরিষ্কার করলে চোখের ক্ষতির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কমে যাবে। আর চোখের লেন্স পরিষ্কারের সল্যুশন বা তরল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক মেয়াদের ব্যাপারটিও খেয়াল রাখা দরকার।
  • কন্টাক্ট লেন্স একটি নির্দিষ্ট সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন করলে ভাল হয়। আর হার্ড কন্টাক্ট লেন্স দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করা উচিত নয়। ৩-৪ ঘন্টা সময় এক্ষেত্রে যথেষ্ট বলে বিবেচিত হয়।
  • অবশ্য আর জি পি এবং সফট কন্টাক্ট লেন্স দৈনিক ১৫-২০ ঘন্টা ব্যবহার করা যায়।
  • কন্টাক্ট লেন্স প্রতি ২৪ ঘন্টা অন্তর নিদৃষ্ট তরল বা সল্যুশন দিয়ে পরিষ্কার করা খুবই জরুরী।
  • কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের ফলে চোখ লাল দেখা গেলে লেন্স খুলে ফেলতে হবে এবং দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।
কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারে সতর্কতাঃ যে বিষয়টি মনে না রাখলেই নয়, কন্টাক্ট লেন্স স্পর্শকাতর একটি মেডিকেল ডিভাইস।
  • লেন্স পরিষ্কারক তরলের মধ্যে এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যার কারনে চোখে এলার্জির উপদ্রব দেখা যেতে পারে।
  • দীর্ঘ সময় লেন্স পরিধানের ফলে কন্টাক্ট লেন্সের চাপে চোখে স্থায়ী অ্যাসটিগমেটিজম বা দৃষ্টি স্বল্পতার সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, এছাড়া লেন্স ঘোলা হয়ে চোখ নষ্ট হয়েও যেতে পারে।
  • ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের ফলে অথবা চোখে লেন্স পরেই ঘুমিয়ে পড়লে, লেন্স অপরিচ্ছন্ন রাখলে চোখে ইনফেকশনের ভয় থাকে।
  • পানিতে সাঁতার কাটার সময় চোখে পানি ঢুকলে চোখের কালো মনিতে পানি জমে সংক্রমণ হতে পারে, পরবর্তীতে সেখানে ঘা হতে পারে।
  • মেয়াদ উত্তীর্ণ কন্টাক্ট লেন্স কিংবা সল্যুশন ব্যবহারে চোখ মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
সর্বোপরি, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স ব্যবহার না করলে এই কন্টাক্ট লেন্সের মাধ্যমেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে আপনার চোখ। সুনির্দিষ্ট ব্যবহার বিধি মেনে চলে চোখের লেন্স ব্যবহার করলে লেন্স ব্যবহার যেমন অনেক আরামদায়ক হবে, তেমনি একই সাথে কন্টাক্ট লেন্স জনিত চোখের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়াও সম্ভব হবে।

দেশের বাজারে চোখের লেন্সের দাম বর্তমানে সুলভ মূল্যেই পাওয়া যাচ্ছে। তবে আরো বৃহৎ পরিসরে চোখের লেন্স এর ব্যবহার দেশের দরবারে ছড়িয়ে দিতে দারাজে চোখের লেন্স এর দাম এখন সীমিত পরিসরেই রাখা হয়েছে। তাই কন্টাক্ট লেন্স দাম আকর্ষণীয় মূল্যে পেতে চাইলে দারাজেই ধামাকাদার সব ডিসকাউন্ট অফার সহ সাশ্রয়ী কন্টাক্ট লেন্সের দাম এখন বিভিন্ন গিফট ভাউচারের সাথে উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া ছেলেদের ফ্যাশনে পাঞ্জাবী সহ ছেলে-মেয়েদের অন্যান্য ফ্যাশন সামগ্রী সুলভ মূল্যে পেতে চাইলে এখন দারাজ অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অথবা দারাজ মোবাইল অ্যাপে ভিজিট করতে পারেন।

 

css.php