August 11, 2022 4:37 AM Thursday
ramadan shopping at daraz

পবিত্র মাহে রমজানে সুস্থ থাকতে চাই স্বাস্থ্যকর ইফতার

বাইরে এখন গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ। এর মধ্যেই বছর ঘুরে হাজির হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। তাই বলে কি রোজা রাখবেন না? এই গরমে সারাদিন না খেয়ে থাকাটা স্বাস্থ্যের জন্য বিরাট ঝুঁকি হতে পারে যদি না ইফতারের সময় টেবিলে থাকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। ইফতারে পুষ্টিকর খাবার মেনু শুধু আপনার সারাদিনের পুষ্টির চাহিদাই পূরণ করবে না, সাথে যোগাবে সুস্থ শরীরে পরের দিন রোজা রাখার শক্তি। তাই শুধু ইফতার ও সেহরীর সময়সূচী ২০২২ জানলেই হবে না, সেই সাথে জানতে হবে কিভাবে গরমের মধ্যেও ইফতারের সঠিক নিয়ম মেনে সুস্থ থাকতে হয়।

রমজান মানেই টেবিলভর্তি বিভিন্ন মজাদার ইফতার আয়োজন। ঘরে ঘরে গৃহিণীদেরও ইচ্ছে থাকে ইফতারের আয়োজনটা হোক কিছুটা আলাদা। তাই রোজার মাস এলেই চারিদিকে দেখা যায় হরেক রকমের ইফতার আইটেম এর রেসিপি। কিন্তু প্রায়ই আমরা ইফতারের গুরুত্বকে অবহেলা করে অস্বাস্থ্যকর ইফতার রেসিপিতে ভর্তি করে ফেলি ইফতারি খাবার টেবিল- যা একেবারেই অনুচিত। এছাড়া আমাদের দেশে সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারে তেলে ভাজা ও চর্বি সমৃদ্ধ খাবারের অভ্যাস দেখা যায়, যা তৈরী করতে পারে মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

এই গরমে ইফতারের খাবার উপাদান হিসেবে যেসব আইটেম থাকা দরকার প্রতিদিনকার ইফতারি আয়োজনে

পুষ্টিকর পানীয়

রমজান এলেই বিভিন্ন আকর্ষণীয় ইফতার রেসিপি দেখা যায় টিভি প্রোগ্রামে, পত্রিকায়, সবখানে। কিন্তু সেই তুলনায় পুষ্টিকর তরল খাবার নিয়ে সচেতনতা দেখা যায় না। অথচ গরমে সারাদিন রোজা রাখলে দেহে দেখা দেয় মারাত্নক পানিশূন্যতা। শরীরের পানির এই ঘাটতি পূরণ করতে ইফতারে বেশি করে পুষ্টিকর পানীয় রাখতে হবে। ইফতারে পানীয় হিসেবে রুহ আফজা, ট্যাং ও লেবুর সরবত জনপ্রিয়। কিন্তু দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে ইফতার ডাইনিং টেবিল -এ রাখতে পারেন বিভিন্ন তাজা ফলের জুস, লেবু পানি, ডাবের পানি, আখের রস ও গুড়ের শরবত প্রভৃতি। এছাড়া শরবত তৈরিতে ব্রাউন সুগার বা বাদামি চিনি, তাল মিছরি, গুড় ও মধুর ব্যবহার আপনার পানির চাহিদার পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করবে শতভাগ।

মৌসুমী ফল

বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আম, লিচু, জাম, কাঁঠাল, আনারস সহ গ্রীষ্মের বিভিন্ন মৌসুমী ফল। আমাদের দেশে ইফতার ফল দিয়ে করার খুব একটা প্রচলন নেই। যদিও পৃথিবীর অনেক দেশেই ইফতারে ফলাহার করার রীতি রয়েছে। এইসব মৌসুমি ফল একইসাথে সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও পানিশূন্যতা দূর করতে অতুলনীয়। কারণ ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও মিনারেল, যা আপনাকে এই গরমে রাখবে সুস্থ। এছাড়া ফলের তৈরী বিভিন্ন খাবার ও মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট রাখতে পারেন ইফতারের উল্লেখযোগ্য খাবার হিসেবে।

কাঁচা ছোলা

বাংলাদেশে ইফতারে ছোলা একটি জনপ্রিয় খাবার। ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তবে অতিরিক্ত তেল ও মসলায় ভুনা ছোলা অনেক সময় উপকারের থেকে ক্ষতিই করে বেশি। তারচেয়ে বেশি উপকার পেতে পারেন কাঁচা ছোলায়। ছোলা ভাল করে ধুয়ে সারারাত ভিজিয়ে ইফতারের আগে আগে পেঁয়াজ, রসূন, মরিচ, আদা ও খাঁটি সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। এছাড়া সিদ্ধ ছোলার সাথে পেঁয়াজ, মরিচ, শশা, টমেটো ইত্যাদি মিশিয়ে খেলেও অনেক খাদ্য আঁশ ও প্রোটিন পাওয়া যায়, যা আপনার ক্লান্ত শরীরে যোগাবে প্রয়োজনীয় প্রাণ শক্তি।

মিষ্টি জাতীয় খাবার

ইফতারে চিড়া, খেজুর ও আখের গুড়, পাটালি, জিলাপি ও বন্দিয়া জাতীয় খাবারের প্রচলন রয়েছে আমাদের দেশে। তবে ইফতারিতে একটি আদর্শ খাবার হতে পারে দই-চিড়া ও দুধ-চিড়া অথবা কলা-চিড়া ও আম-চিড়া। এইসব খাবার পেট ঠান্ডা রাখে ফলে গ্যাসের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকে না। তাই সেহরি ও ইফতারের খাবার হিসেবে এই ধরণের খাবার বেশি পরিমাণে রাখতে পারেন মেনুতে। এছাড়া পরিমিত পরিমাণে মিষ্টান্নের সাথে গুঁড়া দুধ কিংবা তরল দুধের তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন ফালুদা, কাস্টার্ড, পুডিং, ফিরনি বা পায়েস ও সেমাই ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে চা অথবা কফি কিংবা পেট গরম করে এমন খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই মঙ্গল।

শাকসবজি

উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ শাকসবজি আপনাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়, যা আপনার শরীরের জন্য অতি দরকারি। তাই মাঝে মাঝে চকবাজারের ইফতার খেতে পারেন, কিন্তু খেয়াল রাখবেন অধিকাংশ সময়ই যেন ইফতার আলুর চপ, অতিরিক্ত তেল চপচপ করে ভাজা খাবার, হালিম, বিরিয়ানি প্রভৃতি কম থাকে। তারচেয়ে সবজি পাকোড়া, সবজীর স্যুপ, শাকের বড়া, বেগুনী ও রসূনের চপ প্রভৃতি খাবার বেশি উপকারি হতে পারে।

– এছাড়া ইফতারের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মনে রাখতে পারেন –

  • মাগরেবের আযান পড়ার সাথে সাথে খুব তাড়াহুড়া করে অধিক পরিমাণে ইফতার করা উচিৎ নয়। কারণ সারাদিন না খেয়ে থাকার পর একসাথে অনেক বেশি খাবার আপনার জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। ধীরে ধীরে সময় নিয়ে ইফতার করুন।
  • অনেকেই ডায়েট ইফতার করেন যেটা একেবারেই উচিৎ না। সারাদিন না খেয়ে থেকে এমনিতেই আপনার শরীর দুর্বল থাকে। তাই ইফতারে ডায়েট না করে সুষম খাবার গ্রহণের প্রতি মনযোগী হওয়া উচিৎ।
  • চেষ্টা করবেন ইফতারে যেন সব ধরণের খাদ্য উপাদান থাকে।
  • ইফতারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ঠিক না। তারচেয়ে অল্প বিরতিতে কিছুক্ষণ পর পর খাবার গ্রহণ করতে পারেন।
  • ইফতার করার পরপরই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছুটা হাঁটাচলা করুন।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন, ইদানিং গরম বেশি বলে আগেই পানি ফ্রিজ এ রাখতে পারেন কিংবা ফ্রিজের বরফ ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন রোজা রাখার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পানিশুন্যতা, যা আপনাকে হিটস্ট্রোকের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে শুরুতেই একসাথে অনেক পানি পান করা অনুচিৎ।

আরো দেখুনঃ সেহেরীর খাবার তালিকা

boishakhi saree at daraz

এ বছর যেমন হতে পারে মেয়েদের বৈশাখী সাজ!

সময়ের দরজায় পহেলা বৈশাখ কড়া নাড়ছে। আর মাত্র কটা দিন। বাতাসে পাওয়া যাচ্ছে উৎসবের গন্ধ। বাংলা নতুন বছরে এবার কিভাবে সাজবেন?

women's boishakhi dress at daraz

জেনে নিন বৈশাখী সাজের ৩টি সহজ টিপসঃ

১। শাড়িঃ

বৈশাখ বললেই চোখে ভাসে সাদা শাড়ি লাল পাড়। কারণ রমনার বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ছায়ানটের শিল্পীরা শুরু করেছিল এই সাজের চল।

আসলে কিন্তু বৈশাখে নতুন বছর বরণ করে নেয়ার খুশির সাথে যে কোন উজ্জ্বল রঙের পাড়ই খুব ভাল মানায়। এবার সাদা শাড়ি লাল পাড়ের পাশাপাশি গ্রীষ্মের রঙ হলুদ বা কমলা পাড়ের শাড়িও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এতে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবে চোখে পড়বে আপনাকে।

২. মেকআপঃ

এই গরমে বাইরে বের হলেই প্রচুর ঘাম হবে। তাই ভুল করেও ভারি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। অত্যধিক গরমে সেজেগুজে বাইরে বেরিয়ে যদি মেকআপ গলে গলে পড়তে থাকে তাহলে আর এই সাজে লাভ কি?

হালকা কনসিলার ব্যবহার করে তার ওপর হালকা করে ফেস পাউডার লাগিয়ে নিন। এরপর গাঢ় করে করুন আই-মেকআপ। ব্রাউন বা গোল্ডেন আই শ্যাডো ব্যবহার করুন আর মোটা করে কাজল বা আইলাইনার টেনে, ঘন করে লাগান মাস্কারা। নকল পাঁপড়ি না লাগালেও চলবে দিনের এই হালকা সাজে। হালকা ব্লাশনের সাথে লাগান মানানসই ম্যাট লিপস্টিক।  কপালে বড় একটি টিপ পরতে ভুলবেন না যেন।

৩. গয়না/অ্যাক্সেসরিজঃ

বৈশাখী সাজে ভারি সোনা বা রূপার গয়না অ্যাভয়েড করে হালকা গড়নের গহনা বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কাঠ, মাটি বা অ্যান্টিকের গয়না পরুন শাড়ির সাথে ম্যাচ করে। চুল লম্বা হলে খোঁপা করে একটি খোঁপার কাঁটা গুঁজে নিন। আর ছোট চুল হলে ব্লো-ড্রাই করে ফেলুন, সঙ্গে একটি ক্লিপ রাখুন যাতে করে বাইরে গেলে যদি বেশি গরম লাগে, চট করে চুল আটকে নিতে পারবেন। বৈশাখী সাজে ভ্যানিটি ব্যাগ পরিহার করা উচিত।  এর বদলে কাঁধে ঝুলিয়ে নিতে পারেন একটি ফ্যাশনেবল কাঁধ ব্যাগ।

ব্যাস, হয়ে গেলো আপনার বৈশাখী সাজ। সহজ হালকা সাজে উপভোগ করুন এবারের পহেলা বৈশাখ নতুন বছরের উল্লাসে। আর বৈশাখে প্রচুর পানি আর সরবত খেতে ভুলবেন না যেন, না হলে ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাবেন কিন্তু।

আরও পড়ুনঃ

>>আসছে বছরের সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলা<<

ramadan shopping at daraz

তীব্র গরমে সেহেরির খাবার তালিকা যেমন হওয়া উচিৎ

বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে পবিত্র মাহে রমজান। এসময় ভোর রাতের সেহেরি থেকে ইফতারের মাধ্যমে রোজা ভাঙ্গার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তাই সেহেরী হতে হবে পরিকল্পিত ও স্বাস্থ্যকর যেন সারাদিন রোজা রাখার শক্তি পাওয়া যায়। বিশেষ করে এবারের কাঠফাটা গরমে আলাদাভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে সেহরির খাবার তালিকার দিকে, নইলে অসুস্থ হয়ে পড়াসহ দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেওয়াটা মোটেও অবাক করার মত নয়। অনেকেই আবার সারাদিন না খেয়ে থাকতে হবে বলে সেহেরীতে যত বেশি সম্ভব খেয়ে নেওয়া যায় এমন পন্থা অবলম্বন করেন যা মোটেও স্বাস্থসম্মত নয়। বরং সেহেরীর খাবার এমন হওয়া দরকার যেন তা সারাদিনের দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে, আবার এত অতিরিক্ত খাওয়াটাও উচিৎ না, যা আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে।

daraz ramadan bazar sale

সেহেরীতে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকা তৈরীতে যেসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার

সেহেরিতে যেসব খাবার খাওয়া যেতে পারেঃ

ভাত – রুটি

সেহেরি হচ্ছে রমজানের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খাবার। এতে এমন ধরণের খাবার খাওয়া উচিৎ, যা হজম হতে সময় লাগে এবং দীর্ঘক্ষণ কর্মশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। একারণে সেহেরির খাদ্য তালিকায় শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট সম্পন্ন খাবার রাখা উচিৎ। কারণ কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজ দেয় এবং খাদ্যে আঁশের চাহিদা জোগায়। বাসায় রাইস কুকার দিয়ে রান্না করা ঢেঁকিছাঁটা চাল এর ভাত, লাল আটার রুটি, আলু, চিড়া, ওটস, সিরিয়াল, বার্লি – এই খাবারগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে। এছাড়া ধীরগতিতে হজম হয় এবং হজম হতে প্রায় ৮ ঘণ্টা লাগে বলে এসব খাবার খেলে দিনের বেলায় কম ক্ষুধা লাগে। তাই সেহেরির খাদ্য তালিকার একটা বড় অংশ জুড়ে এসব খাবার রাখলে তা আপনাকে রোজার সময়ও সারাদিন সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখবে।

প্রোটিন জাতীয় খাবার

সেহরিতে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাবার থাকলে তা আপনার দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সারাদিন আপনাকে শক্তি যোগাবে। মাছ, মাংস, তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, দুধজাত খাবার, ডিম, ডাল প্রভৃতি খাবার প্রোটিনের ভালো উৎস। এছাড়া এসব খাবারে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, আয়রন প্রভৃতি পুষ্টি উপাদানও প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা আপনার হাড়ের সুস্থতার জন্য জরুরি। বিশেষ ভাবে সেহেরীতে দুধ আপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার হতে পারে। লো ফ্যাট দুধ রক্তের কোলেস্টেরল বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া দুধজাতীয় বিভিন্ন খাবার যেমন ঘরে দই মেকার দিয়ে বানানো দই, ছানা প্রভৃতি কিংবা কলা ও আম সহ দুধভাত রোজার সময়ে আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগাবে। মাছ বা মাংসের বদলে সেহেরীর খাবারে একটি ডিম থাকলেও তা আপনাকে প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদা পূরণ করতে পারে।

তাজা সবজি

ভিটামিন শরীরের জন্য খুবই দরকারী একটি পুষ্টি উপাদান। তাজা শাকসবজি দেহের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। তাই সেহরিতে প্রতিদিন সবজি খাওয়া উচিৎ। তবে রাতের খাবারে অতিরিক্ত আঁশযুক্ত সবজি খাওয়া ঠিক না। কারণ অতিরিক্ত ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি হজমের ঝামেলা করতে পারে। তার বদলে সেহেরীতে মাঝারি আঁশের সবজি যেমন- ঝিঙে, চিচিংগা, লাউ, পেঁপে, চালকুমড়া, গাজর প্রভৃতি খাওয়াটা বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

ফলমূল

সেহেরীর খাবারের পর ফল খেলে তা দিনের বাকী সময়টায় আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিৎ। ভোররাতে টক জাতীয় ফল না খাওয়াই ভালো। এর ফলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ে। মাঝারি আঁশযুক্ত ও নরম পাকা ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী। পেঁপে, কলা, আম ইত্যাদি অথবা বিভিন্ন মৌসুমী ফলের ও দুধের তৈরি কাস্টার্ড খাওয়া যেতে পারে। এইসব সুস্বাদু ফল ও ফলজাত খাবার দেহের পুষ্টি উপাদান ও পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দীর্ঘসময় শরীরের শক্তি যোগায়।

তরল জাতীয় খাবার

রোজা রাখার অন্যতম স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা হচ্ছে শরীরের পানি ঘাটতি। তাই যেসব খাবার পানিশূণ্যতা দূর করে, সেহেরির খাদ্য তালিকায় সেসব খাবার যোগ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ডাবের পানি, শসা, আনারস, টমেটো, কমলা ও তরমুজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য হতে পারে। এছাড়া সেহেরিতে পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করা উচিৎ যেন সারাদিনের পানি ঘাটতি পূরণ হয়। তবে তাই বলে গলা পর্যন্ত পানি পান করা উচিৎ না। বরং কিছুটা ফাঁকা রাখুন। খুব ঠান্ডা এবং খুব গরম পানি পান করা উচিৎ না। এ ছাড়া তরল খাবার হিসেবে দুধ, পাতলা সাগু, সাবু বা বার্লি, সুজি, স্যুপ, আঙ্গুরের রস ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে সেহেরীতে। অনলাইনে ট্যাং অর্ডার করে অথবা ঘরে ব্লেন্ডার মেশিন দিয়ে ফলের রস কিংবা জুস বানিয়ে তরল খাবারের ঘাটতি অনেকাংশেই কমিয়ে ফেলা সম্ভব রোজার মাসে।

সেহেরীতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালোঃ

সেহেরির সময় বেশি তৈলাক্ত, মসলাদার এবং ঝাল খাবার খাওয়া উচিৎ না। সেক্ষেত্রে সেহেরির খাদ্য তালিকা থেকে বিরিয়ানী, পোলাও, তেহারি প্রভৃতি ভারি ধরণের খাবার বাদ দিতে পারেন। কারণ সেহেরীতে এসব খাবার খেলে বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া করা এবং পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে। অনেকেই সেহরিতে কফি মেশিন দিয়ে বানানো চা অথবা কফি খেতে পছন্দ করেন। অনেকে আবার কোক এর মত কোল্ড ড্রিঙ্কস বা বেভারেজ পানীয় খেতে তৃপ্তি পান। কিন্তু এসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে, যা মূত্রের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে শরীরের পানির পরিমাণ কমে যায় এবং খুব তাড়াতাড়ি তৃষ্ণা পায়। তাই সেহেরিতে এসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিৎ। পানিশূণ্যতা বাড়ায় বলে সেহেরির সময় অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খাওয়া উচিৎ নয়।

প্রচন্ড গরমে রোজা রেখে সুস্থ থাকতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই সেহেরির খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সঠিক খাদ্যাভাস না মেনে রোজা রাখলে খুব সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। বিশেষ করে দেহে পানিশূন্যতা যাতে না হয়, সেদিকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে। আর অবশ্যই সেহেরি খাওয়ার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া সমীচীন হবে না। তাহলে আশা করি এই গরমেও রোজা রাখতে খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হবে না।

আরো দেখুনঃ ইফতার খাবার তালিকা

history of bangla new year

পহেলা বৈশাখ ১৪২৯ – ইতিহাস ও বৈশাখী মেলার আদ্যপান্ত

পহেলা বৈশাখ – ১ লা বৈশাখ ১৪২৯, ১৪ ই এপ্রিল ২০২২

পহেলা বৈশাখ কি?

বাঙ্গালীর উৎসব পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ সুপ্রাচীন বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিনটিকে পালন করা হয় বাংলা নববর্ষ অথবা বাঙ্গালীর বৈশাখী মেলা হিসেবে। এদিন বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নানা আড়ম্বর-আয়োজনের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বাংলা বছরকে। আগামী দিনের সম্ভবনা আর সমৃদ্ধি কামনায় উৎসবে মেতে ওঠে গোটা জনপদ।

পহেলা বৈশাখের ইতিহাস

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলার সবুজ কৃষি নির্ভর সভ্যতা ও মুঘল সম্রাট আকবরের নাম। বাংলা পঞ্জিকা আসার আগে এদেশে কর আদায় করা হতো হিজরি পঞ্জিকা বা আরবী মাসের সাথে মিলিয়ে। কিন্তু চাঁদের উপর নির্ভরশীল আরবী পঞ্জিকার সাথে ফসল উৎপাদন ও খাজনা আদায়ের সময়কাল পুরোপুরি সুবিধাজনক না হওয়ায় সম্রাট আকবর প্রাচীন বাংলা বর্ষপঞ্জীতে সংস্কার আনেন। প্রথমদিকে এর নাম ছিলো ফসলি সন। পরে এটি বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

পহেলা বৈশাখের গান

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো ¶¶¶¶¶¶¶¶¶

পয়লা বা পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। সারাদেশে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রবি ঠাকুরের চিরসবুজ গান ‘এসো হে বৈশাখ’-এর তালে তালে মেতে ওঠে গোটা জনপদের মানুষ। পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য শুধুমাত্র আনন্দ-উৎসবেই সীমাবদ্ধ নয়- বরং এতে লুকিয়ে আছে পুরাতনকে সাথে নিয়ে, জরা-দুর্দশাকে শক্তিতে পরিণত করে সামনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়।

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান, খাবার ও সংস্কৃতি

প্রতি বছরের মতো এবারও নতুন বাংলা বছর ১৪২৯ সনকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইংরেজী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ ২০২২ সালের ১৪ এপ্রিল পালিত হবে। প্রচলিত বাংলা বর্ষবরণের অন্যান্য উপকরণের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের তত্ত্বাবধানে মঙ্গল শোভাযাত্রা, রমনা বটমূলে পান্তা-ইলিশের সাথে সাথে পহেলা বৈশাখের কবিতা, ছবি, চিঠি ও সঙ্গীতের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে নতুন বাংলা বছরকে। সাথে থাকবে বৈশাখী মেলা, নৌকা বাইচ, পুতুলনাচসহ আরো সব ঐতিহ্যবাহী আনন্দ-উৎসব অনুষঙ্গ।

নতুন সব বর্ণিল পোষাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ-শিশুদের আনন্দ কোলাহলে বাংলা নববর্ষ বেঁচে থাকুক আরো হাজার বছর- বাংলা ও বাঙালির শেকড়ের উৎসব হিসেবে, নতুনকে জয় করা ও সামনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়ে।

পহেলা বৈশাখ – অনলাইন কেনাকাটা

নতুন বছরকে বরণ করতে নিশ্চিতভাবেই আপনার লাগবে বেশ কিছু অত্যাবশ্যকীয় বৈশাখী পোশাক, খাদ্য সামগ্রী ও বাহারী বৈশাখী উপকরণ। পয়লা বৈশাখে কেউ চাইবেন বৈশাখের রঙ্গে নিজেকে রাঙ্গাতে নতুন বৈশাখী পাঞ্জাবি কিংবা পহেলা বৈশাখের শাড়ি পড়তে। কেউবা চাইবেন পান্তা ইলিশ দিয়েই শুরু হবে নতুন বছর। কিংবা আপনার প্রয়োজন হতে পারে ঢোল, বাশি, ভূভুজেলা কিংবা ঐতিহ্যবাহী যে কোন বৈশাখী সরঞ্জাম। দারাজ অনলাইন শপ ক্রেতাদের জন্য তাই প্রতিবছরের ন্যায় এবারো আয়োজন করতে যাচ্ছে পহেলা বৈশাখ সেল উৎসব ১৪২৯ সাল। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বৈশাখী ক্যাম্পেইনটি চলবে একেবারে পহেলা বৈশাখ(pohela boishakh) পর্যন্ত। শুভ নববর্ষ!

Safety Tips for Women

3 Self-Defense Tips That Make You A Stronger Woman

The world is not a safe place, especially for our women. Every day, women from all around the world have to go through unimaginable situations that reassert it’s not safe for women. But hiding from reality will get us nowhere. We’ve to take our safety into our own hands and do what we can to stay safe – because if we don’t, nobody will.

Let us all come together and vow to protect our women in every way possible. Let us never turn a blind eye and a deaf ear to a woman in trouble. In fact, let us never ignore when any person is seemingly in trouble, man or woman!

With International Women’s Day approaching, let’s look at some of the most critical self-defense tactics for females that you may use to protect yourself in any situation.

1. Self Defense Training

One of the first things that every female should know are some basic self defense moves. Self defense training can give you the confidence to try and overpower if, God forbid, you’re ever assaulted.

You should start with memorizing the vulnerable spots:

Self defense tips for women to use in dangerous situations

Once you have memorized these sensitive spots, you can try and focus your strength at them to overpower the attacker. The most effective and simple self-defense techniques are:

  • Grab the wrist: Grab the ring finger and pinky finger with one hand, and use the other hand to grab the middle and index finger. Then bend the wrist forward and this will make any giant person squirm in pain!
  • Hit between collar bones or into Adam’s apple: Use your fingers or fist to do this and you’ll be able to disorient the attacker. This should give you enough time to escape before they come back to sense.
  • Aim for the groin: This one is obvious. It’ll paralyze the attacker, giving you enough time to run.
  • Hit the Nose: If you were attacked from the front, use your fists to create some room in between and then hit the nose of the attacker with your forehead. Then using your knee, hit him in the groin!

Self Defence Scarlett GIF by Nashville on CMT - Find & Share on GIPHY

2. Keep a Pepper Spray on You

A pepper spray will come in very handy in a situation like this. Every woman should keep pepper spray in their purses so that, God forbid in case of such a situation, they can spray the attacker with it to defend themselves. The pepper spray price in Bangladesh is very reasonable, so you don’t have to worry about having to spend a fortune on it!

3. Use ‘SOS’ Feature on Phone to Alert Others

Most people don’t know that they can activate an SOS feature on their phones that they can use to alert others in case they’re in trouble.

Here’s how you activate on Android:

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

And here’s how you can activate on iPhone

  1. Settings
  2. Emergency SOS
  3. Turn it on
  4. Add trusted contacts

The phone activation of SOS lets you send an SOS message in emergency. In most phones, you have to press the power button multiple times to activate the feature. Every phone specifies on their feature page about how many times you’ll have to tap.

SOS 4 Self defence for women-daraz.com.bdSOS 3 Self defence for women-daraz.com.bd

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

When you tap this feature to activate it, it’ll automatically send your location to your chosen contacts. As you can see, it can also share audio and pictures.

Self-defense training for women is very important. Women should take self-defense classes or at least equip themselves with some handy moves that they can use should the need arise (God forbid!). Other tips that we’ve mentioned above, especially the SOS feature, can be really helpful!

You can check women’s survival kits, security tools and self-defense equipment in daraz online shop at the best price. Order and enjoy the fastest home delivery in Bangladesh.

Lastly, we’d just like to say to always be alert and careful – after all, in a world like this, you can never be too careful!

You may also like-
7 Top Tips Before Buying Microwave Ovens

How to make your girlfriend feel special

5 Ways to Make Her Feel Special on This Women’s Day

Do you appreciate enough the remarkable women in your life? Whether the answer is no or not sure- you can take your best chance to make them feel special on this women’s day 2022. Pick a perfect gift and having a pleasant approach can be enough to express your affection and gratitude for the women on this particular day.

Let’s have a look at some of the best hacks to make your extraordinary ladies feel satisfied-

1) Flowers

There is something about flowers that no matter how stereotypical they are, they always stand out to make fabulous gift ideas for women. You can easily touch them with an elegant bouquet. However, avoid inexpensive flower that fades fast and is not properly designed as this will disappoint. You can also gift her some artificial flowers that will last longer to make her feel special every single day.

flowers for her-daraz.com.bd

2) Give Her A Hand

i can help you sci fi GIF by Siren

It’s a nice approach to express your gratitude towards her that costs you nothing. This can be your mother or wife- help her to prepare breakfast, cook for her, clean the house. Did you ever wonder how she never asks for it, always busy with works- from the kitchen to the office. Do appreciate their role. Believe me, this will be their best day in a long time.

3) Thank Her

cbs thank you GIF by Recording Academy / GRAMMYs

Thank her big for all the little and big things she does every day not only for you but also for everyone around her. Remind her that she is one and unique. Compliment her more and more as all she needs is a little recognition and appreciation. Share a gift card with all your emotions. It will be priceless.

4) Listen To Her

listen i can't hear you GIF by NBC

Sometimes our girls just want to talk, want to tell you her story. You don’t have to speak or do anything. Just be there and listen to her words. Remember, hearing and listening are not the same. Listening to her can make you more attractive. You can also gift her great wireless headphones. Thank me later.

5) Pick The Best Gift For Her

The gift has a magical power that can make anyone happy and women are no exception. It’s the best way to make her feel great. Now you can choose the best gifts for her from Daraz Bangladesh. You can find sarees, salwar kameez, women’s shoes, jewelry, makeup accessories, and many more gift options for your beloved one in daraz.com.bd.

Therefore now you can make the most out of your role to make her happy. Moreover, by browsing Daraz online shop, you can surely get tons of gift ideas for your special women.

You can also check,
Perfect Gift Plans for Your Special One

big home makeover spreads happiness

Daraz Big Home Makeover Presents “Your Home, Your Happiness”

When we think home, we think of a place for rest to return to at the end of a long day. Throw up our feet and feel at ease. To commemorate Daraz’s Big Home Makeover sale, we thought we’d celebrate a relaxing day at home.

Searching for Happiness? Here you go the big home makeover Mega Deals just one tap away!

Friday Spise I Senga GIF by NRK P3


Home is where you binge-watch your fav shows. Would you look at this cozy furniture collection forever?

Working From Home Chilling GIF

Home is where you snack like your life depends on it and so find the most preferable home appliances you need the most.

Chilling GIF

Home is your very own private retreat- an escape, what if there were a giant smart tv with a super home theater system!

Bored Saturday Night GIF by Beeld en Geluid Labs

Home is where something as simple as sitting on your behind feels oddly…empowering. Maybe because you’re not being paid to stay seated. And you’re doing it on your very own comfortable sofa set time. Enjoy! 

Sitting Harry Potter GIF

Home is where you rest peacefully with bed and other bedding set.

Sleep Sleeping GIF

 

 

 

 

 

 

 


Where you sing in the shower and unleash your talent the best you can!


Home is equal to microwave oven like comfort!

Hungry Eddie Murphy GIF

 


Is it a fridge or is it a frozen fort?

Jimmy O Yang GIF by Silicon Valley

 

 

 

 

 

 

 

Yeah we know you want to shop more and so make the most of big home makeover sale like a pro. For more info, visit the daraz online shopping website and app now. 

history of pohela boishakh

Pohela Boishakh: Origin, History, Culture & Facts

Pohela Boishakh (Bangla New Year) Date – Thursday, 14 April, 2022 in Bangladesh

What is Pohela Boishakh / Bangla New Year?

Bengali New Year is referred to in Bengali as “New Year” (Bengali: নববর্ষ Nôbobôrsho, from Sanskrit Nava(new) Barṣha(year) or “First of Boishakh” (Bengali: পহেলা বৈশাখ Pôhela Boishakh. Nobo means new and Borsho means year. In Bengali, Pohela stands for ‘first’ and Baishakh is first month of Bengali calendar.

Bengali New Year (Bengali: নববর্ষ) or Pahela Boishakh (পহেলা বৈশাখ) is the first day of the Bengali calendar, celebrated in both Bangladesh and West Bengal, and in Bengali communities in Assam, Tripura and Odisha and all over India as well where the Bengali community arises. It coincides with the New Year’s Days of numerous Southern Asian calendars. Poila Boishakh connects all ethnic Bengalis irrespective of religious and regional differences. In India, in West Bengal and Assam, it is a public (state) holiday and is publicly celebrated in mid-April. In Bangladesh, it is a national holiday celebrated around 14 April according to the official amended calendar designed by the Bangla Academy.

Pohela Boishakh at Bengal Dhaka
Celebration of Pohela Boishakh,Dhaka[Sincere Thanks to S.M. Tanvir Ayon for this Magnificent Snapshot]

Boishakh/Baishakh is the first of the Bengali months where Pohela simply means “first”. The term “Pohela Boishakh” therefore, stands for the first day of the Bengali year and naturally refers to the festivity attached to this day as well. The celebration itself is called “Borsho Boron Utsab” or “Boishakhi Utsab” (the gala of Boishakh) which is held to welcome the Nobo Borsho (New Year). It is one celebration that goes beyond geographical borders as the Bengali New Year is celebrated in the West Bengal of India as well as in Bangladesh, making it the biggest cultural festival that has survived the last few centuries where Bengalis of all walks of life come together to make it colorful, bright and joyous.

Origin & History of Pohela Boishakh:

Who Started Bengali New Year?

The story of the pohela boishakh history has a few versions, however, they all go back to one particular Mughal emperor, Akbar the Great and the tax collecting process under his reign (1556-1609). Several hundred years ago, the economy almost entirely depended on agricultural productions. In Bengal, the agriculture necessarily revolved around its six seasons. Under the Mughals, tax was collected on the basis of Arabic or Hijri year that did not exactly go hand in hand with the seasonal cycle of this region. For instance, when it was time for the landowners to collect taxes, the peasants would still be waiting to reap their products from the fields.

 

This way, following a lunar calendar that hijri year was based upon, proved inconvenient for all the parties involved. Realizing the urgency of reformation in the existing year system, the Baadshah (emperor) gave one of the many renowned scholars of his court, Fatelluah Shiraji the responsibility to make the necessary amendments. The new calendar was designed keeping the nature of all six seasons, their duration and contribution to the agriculture in mind. Some scholars argue that Pohela Boishakh (1st boishakh) was anything but a reason for festivity for the peasants who comprised the majority of the population when they had to pay off their taxes on the last day of Chaitra/ Choitro, the month before Boishakh.

Besides, the landlords, to collect the taxes, often subjected the grassroot people to physical force. Such circumstances were most unlikely to leave people in a mood for festivity by the time the Pohela Boishakh was knocking on their doors. Despite having enough reasons for it to be the contrary, Pahela Baishakh was a time for celebration. To avoid any serious rebellion, Badshah Akbar introduced the masterfully crafted custom of the New Year celebration that took place right after the tax-paying day. The amusements and feasts that used to be arranged helped to smoothen the harshness of the tax paying and sow the hopes for a better year among all.

As mentioned earlier, the celebration of Bengali New Year, poyla Boishakh, takes place both in West Bengal and Bangladesh. But, Pahela Boishakh in Bangladesh did not receive a collective form until 1965. During the growing movement for an independent state from Pakistan that began by the end of the 1940s and continued until the independence in 1971, the former Pakistani Government implemented many policies that were somewhat modified versions of the British “Divide and Rule” principle.

In other words, those policies were meant to differentiate a Bengali Muslim from others and avoid a strong, joint movement for independence. As a continuation to such steps, the Pakistani government banned poems by the Noble winning Bengali author, Shree Rabindranath Tagore. Then, Chhayanaut, the only major Fine Arts institution of the time designed their cultural show for Poila Boishakh to be a means of protest. The Pohela Boishakh that takes place under the Banyan tree of Ramna Park in Dhaka ever since was to open with Boishakhi songs by Tagore.

This way, Pohela Boishak became one with the nationalist notions of the Bengali people who resided in the East Pakistan, known as Bangladesh today. The fine Arts Institute (CharuKala Institute) of Dhaka University enhanced the attraction of the day in the late 1980s by adding Boishakhi Parade (Shobha Jatra) so that a growing participation and acceptance is ensured. Soon, an attempt by a few hundred people to uphold the Bengali traditions and unify Bengalis while doing it, transformed into a national event.

In the West Bengal, Bengali New Year celebration has ties to religious values as well. The entire month of Boishakh is considered auspicious. Therefore, the first day by itself is reason enough for festivity. For the Hindu, the day begins with Puja (religious ritual) followed by cultural shows. Because of its being considered auspicious, Boishakh is the month when most Hindu weddings take place in both Bengals.

Aspects & Activities of Pohela Boishakh:

How is Pohela boishakh celebrated?

In Bangladesh, the day begins before the break of dawn when crowd gathers in Ramna Park for the Cultural show held by Chhayanat every year. Women mainly wear white Shari (saree price in bangladesh) with red border. Since Boishakh brings spring, women adorn their hair with flowers and wear colorful churi (bangles) that symbolizes the many colors and renewed life in nature. On the other hand, men mainly wear traditional Punjabi (Panjabi price in bangladesh) with Paayjama, Lungi or Dhuti/Dhoti.

  • Boishakhi Parade (Mongol Shova jatra): Boishakhi Mongol Shobha Jatra is one of the biggest attractions of the day. Very early in the morning, the rally starts from the CharuKala Institute of Dhaka University.
Mongal Shobhajatra Pohela Boishakh
Mongal Sobhajatra in Pohela Boishakh
  • Boishakhi Fair (Mela):

    It is arranged all over the country and continues for at least a week. There are a wide range of products and activities that make the fair an attraction to all age groups. From home accessories to anything and everything that speaks Bengali authenticity, find their way to here. One of the fun aspects of the Boishakhi Mela is the joy ride like the Merry-Go-Round and Ferris wheel. The ones seen in this fair are different in that these are much smaller with a simpler structure made out of wood and bamboo and lacking engines to run them. In stead, two or more men stand beside these rides to push.

pohela boishakhi mela
Fair in Pohela Boishakh
  • Alpona:

    In the front yard and staircases, miniature Aalponas or Rangolies, traditional designs, are drawn using bright colors like red, green, blue and yellow as well as powdered rice. Drawing gigantic Aalponas in the main streets and walls all nightlong is one fun activity where both male and female participates.

boishakhi alpona art at dhaka
Pohela Baishakh 1421 adorned with Airtel Alpona
 
  • Haalkhata:

    It is the ritual of closing the old Ledger and opening a new one with new entries on Pohela Boishakh. Traders involved in gold, clothing or food business send out invitations to old customers and entertain them with sweets.

halkhata at pohela boishakh

         On the 1st day of Pohela Boishakh,businessmen greets their customers with sweets,
          commence a “Halkhata”(new ledger)& lock their old ones. Source:Star file photo
  • Sports:

    Rural sports such as Nouka Baich (boat race), Kite flying, Bull Racing, and flying pigeons are among the more popular ones.

noukabaich at pohela boishakh

               Nouka Baich (Boat Racing) Image Source : worldphoto.org

Cultural Activities of Pohela Boishakh

Folk songs such as Palagan, kavigan, Jarigan, Gambhira gan, Gazirgan, baul, marfati, murshidi and bhatiali songs are staged. So are Jatra (one kind of plays) and other form of Bengali performing arts.

Pohela Boishakh in Dhaka

New Year’s festivities are closely linked with rural life in Bengal. Usually on Pahela Boishakh, the home is thoroughly scrubbed and cleaned; people bathe early in the morning and dress in fine clothes. They spend much of the day visiting relatives, friends and neighbors. Special foods are prepared to entertain guests. This is one rural festival that has become enormously big in the cities, especially in Dhaka.

Boishakhi fairs are arranged in many parts of the country. Various agricultural products, traditional handicrafts, toys, cosmetics, as well as various kinds of food and sweets are sold at these fairs. The fairs also provide entertainment, with singers and dancers staging jatra (traditional plays), pala gan, kobiganjarigan, gambhira gan, gazir gan and alkap gan. They present folk songs as well as baul, marfatimurshidi and bhatiali songs. Narrative plays like Laila-Majnu, Yusuf-Zulekha and Radha-Krishna are staged. Among other attractions of these fairs are puppet shows and merry-go-rounds.

baul song on pohela boishakh

                         Bauls performing in Pohela Boishakh

Pohela Boishakh Games

Many old festivals connected with New Year’s Day have disappeared, while new festivals have been added. With the abolition of the zamindari system, the punya connected with the closing of land revenue accounts has disappeared. Kite flying in Dhaka and bull racing in Munshiganj used to be very colorful events. Other popular village games and sports were horse races, bullfights, cockfights, flying pigeons, and boat racing. Some festivals, however, continue to be observed; for example, bali (wrestling) in Chittagong and gambhira in Rajshahi are still popular events.

Pohela Boishakh Food

Observance of Pohela Boishakh has become popular in the cities. Early in the morning, people gather under a big tree or on the bank of a lake to witness the sunrise. Artists present songs to usher in the new year. People from all walks of life wear traditional Bengali attire: young women wear white saris with red borders and adorn themselves with churi bangles, ful flowers, and tip (bindis). Men wear white paejama(pants) or lungi(dhoti/dhuti) (long skirt) and kurta (tunic). Many townspeople start the day with the traditional breakfast of panta bhat (rice soaked in water), green chillies, onion, and fried hilsa fish.

pohela boishakh foods with hilsha fish

Panta Ilish(পান্তা ইলিশ) – a traditional platter of leftover rice soaked in water with fried Hilsa(ইলিশ), supplemented with dried fish (Shutki/শুঁটকী), pickles (Achar), lentils (dal), green chilies and onion – a popular dish for the Pohela Boishakh festival.

Pohela Boishakh Songs

The most colorful New Year’s Day festival takes place in Dhaka. Large numbers of people gather early in the morning under the banyan tree at Ramna Park where Chhayanat artists open the day with Rabindranath Tagore’s famous pohela boishakh song, এসো, হে বৈশাখ, এসো এসো Esho, he Boishakh, Esho Esho (Come, O Boishakh, Come, Come). A similar ceremony welcoming the new year is also held at the Institute of Fine Arts, University of Dhaka. Students and teachers of the institute take out a colorful procession and parade around the campus. Social and cultural organizations celebrate the day with cultural programs. Newspapers bring out special supplements. There are also special programs on the radio and television.

borshoboron at ramna batomul

           Borsho Boron at Ramna Botomul. Source : bdnews24 photo archive

The historical importance of Pohela Boishakh in the Bangladeshi context may be dated from the observance of the day by Chhayanat in 1965. In an attempt to suppress Bengali culture, the Pakistani Government had banned poems written by Rabindranath Tagore, the most famous poet and writer in Bengali literature. Protesting this move, Chhayanat opened their Pohela Boishakh celebrations at Ramna Park with Tagore’s song welcoming the month. The day continued to be celebrated in East Pakistan as a symbol of Bengali culture. After 1972 it became a national festival, a symbol of the Bangladesh nationalist movement and an integral part of the people’s cultural heritage. Later, in the mid- 1980s, the Institute of Fine Arts added color to the day by initiating the Boishakhi parade, which is much like a carnival parade.

CHOTTOGRAM, Bangladesh | চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

The center of attraction of the Pohela Boishakh celebrations in the port city Chottogram is the DC Hill Park [ডিসি পাহাড় পার্ক]. Sammilitō Sanskritik Jot [সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট] organizes a two-day festival to bid farewell to the old year and welcome the New Year. Various cultural events are organized here including plays etc. The public celebration of Poyela Boishakh in Chottogram was started in 1973; the initiative was taken by the politicians to promote the Bengali culture.

festive mood in pohela boishakh

        Festive Mood in Chattogram DC Hill. Image Source: Daily Asian age.
  • Chottogram Hill Tracts | চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলা :

    In the Hill tracts of Chattogram, three different ethnic minority groups have their individual New Year celebrations. Boisuk [বৈশুখ] of Tripura People, Sangrai [সাংগ্রাই] of Marma people and Biju [বিজু] of Chakma people; presently they have come together to celebrate it commonly as Boi-Sa-Bi [বৈ-সা-বি], a day of a wide variety of festivities; especially need to mention the water festival [জল উৎসব] of the Marma people.

KHULNA, Bangladesh | খুলনা, বাংলাদেশ

College students take great effort in designing festoons, banners, colorful masks for this event. A newly formed non-governmental cultural organization Shokha Moyukh celebrated Pohela Boishakh at the campus of Govt. B L College, Khulna. The rally was followed by a cultural function at the campus. The event was organized by the students with support from the college faculty. Pohela Boishakh is celebrated in Khulna with enormous joy and enthusiasm. People from all walks of life take part in the Borshoboron Rally (বর্ষবরণ পদযাত্রা) organized by Khulna Sonskriti Kendro(খুলনা সংস্কৃতি কেন্দ্র).

              Inauguration of Pohela Baishakh Ceremony, 1423 at Khulna

Kolkata and West Bengal | কলকাতা এবং পশ্চিম বঙ্গ

Kolkata, the sovereign of Bengalis in India; witnesses some of the grand celebrations of Poyela Boishakh. In Kolkata and the rest of Indian/West Bengal, Poyela Boishakh and indeed the entire month of Boishakh is considered an auspicious time for marriages, opening of new business ventures etc. Choitro is the Last month of the Bangla year; the garment traders give special discounts throughout the month. The last day of Choitro, is celebrated as Choitro Sankranti among the Hindu community, and Charak Pujo is held on this day. On this very same day, Charak Mela/fair is organized in various parts of rural Bengal; some really miraculous acrobatics are performed by the members and these stunts are quite risky indeed.

boishakh jatra at pohela boishakh
Boishakhi Jatra, AJC Bose Road, Kolkata
Courtesy: New Year Photo Gallery Blog

Pohela Boishakh is also the occasion when the whole family comes for a get together; youngsters touch feet of elders seeking benediction (আশীর্বাদ), and peers greet each other Suvo Nôbobôrsho with a hug (Kolakuliকলাকুলি). The celebration remains incomplete without “mishti mukh” exchanging sweets with the near and dear ones. The day of Poyela Boishakh is a day of cultural events. Like Bangladesh, here also people wake up & bathe early in the morning and dress up in traditional Bengali attire. Many go for Probhat Pheri (a parade similar to “Shobhajatra” in Bangladesh, but it’s not as colorful as that) to welcome the first day of the New Year singing Rabindra Sangeet, here also the song “এসো, হে বৈশাখ, এসো এসো”Esho, he Boishakh, Esho Esho is very popular.

Businessmen open new accounting books (HalKhata) on this day; for the Bengali Hindu businessmen HalKhata begins only after performing puja, “Swastik” sign is drawn on the HalKhata by the priests. Devotees are seen in front of the Kalighat temple (কালীঘাট মন্দির), in long queues, from the late night. Devotees offer Puja to receive the blessings of the almighty.

The Government of West Bengal organizes various fairs and cultural events in different parts of the state. The most famous of these is Bangla Sangit Mela(রবীন্দ্র সঙ্গীত), held at Nandan-Rabindra Sadan ground.

OTHER NATIONS | অন্যান্য দেশ

Apart from Bengal, Poyela Boishakh is also celebrated by the Bengali community living in the United Kingdom, United States of America, Australia etc.

Today, Pohela Boishakh celebrations also mark a day of cultural unity without distinction between class or religious affiliations. Of the major holidays celebrated in Bangladesh, only Pohela Boishakh comes without any preexisting expectations (specific religious identity, the culture of gift-giving, etc.). Unlike holidays like Eid ul-Fitr, where dressing up in lavish clothes has become a norm, or Christmas where exchanging gifts has become an integral part of the holiday, Pohela Boishakh is really about celebrating the simpler, rural roots of the Bengal. As a result, more people can participate in the festivities together without the burden of having to reveal one’s class, religion, or financial capacity.

Are You ready for pohela boishakh sale online? Then Download Daraz App now! 

big home makeover app live show

Daraz Live – Big Home Makeover “Your Home, Your Happiness” App Live Show Timeline (2022)

Want to win exciting discount vouchers to shop online at Daraz Big Home Makeover sale campaign 2022? Visit the Daraz online shopping app and watch Daraz Live App Shows now. If you are lucky enough, will get a chance to avail some amazing vouchers from Daraz live streaming shows.

Big Home Makeover App Live Show Title

Big Home Makeover 

“Your Home, Your Happiness”

Big Home Makeover App Live Show Date & Time

Date Host Guest Time
27 February, 2022 Zohra Romana and Promito 5:00 PM
28 February, 2022 Faiza Mr. and Ms. Entertainer 11:30 PM
1 March, 2022 Monika Ashik 5:00 PM
2 March, 2022 Zohra YTD 5:00 PM
3 March, 2022 YTD YTD 5:00 PM
6 March, 2022 Zohra YTD 5:00 PM
7 March, 2022 Zohra YTD 5:00 PM

Why Should You Watch Daraz App Live Shows?

  • Through Daraz App Live shows, you will be able to get all kinds of deals and discounts updates of Big Home Makeover sale.
  • You can be up to date of all big home makeover discount vouchers and payment partner discounts info from the app live shows of Daraz.
  • You will be able to enjoy the real time update of big home makeover trendy and newly launched products with the latest deals.  

Tune in to the Daraz App and catch all the App Live shows and videos everyday. For any info, head over to our Daraz Blog to learn more about Daraz live streaming app features!

So, what are you waiting for? Download the Daraz App now to watch the Daraz Big Home Makeover campaign App Live Shows exclusively in Bangladesh. Already installed the Daraz App? Now update the app for better experience and immerse into the world of shoppertainment with Daraz Live.

discount offers of big home makeover sale

Top Deals and Discount Offers of Daraz Big Home Makeover Sale 2022

Want to decorate your home with brand new furniture and appliances? Daraz Big Home Makeover is here to make your happiness evergreen with exclusive deals and discounts on kitchen and home appliances including living room furniture. And with the discount offers and vouchers, you can also avail payment partner discounts including bkash and partnered banks.   

Exclusive Discount Offers from Big Home Makeover Sale

Your Mega Makeover

⇒ Save upto TK. 9,000 ⇐

your maga makeover discounts

I Love Vouchers

⇒ Enjoy upto TK. 6,500 off ⇐

Vouchers will be refreshed everyday at 11am & 6pm

Decor Your Home

Enjoy upto 65% off ⇐

decor home with discounts

March Madness

⇒ Enjoy upto 25% off ⇐

march madness offers

Payment Partners Deals

⇒ Get extra upto 15% savings ⇐

payment partner discount

>> bKash – 15% Instant Cashback

bkash cashback offer at big home makeover sale

# Maximum Cashback BDT 100 in One Transaction

# Cashback Limit BDT 200 During Campaign Period

# Minimum Order Value BDT 500 to eligible for the Cashback

>> Prime Bank – 10% Extra Savings

prime bank payment discounts at big home makeover sale

# Get Extra 10% Savings with Prime Bank Credit Card

# Maximum Savings BDT 1,000 for One Transaction Only

Shop by Price

So, shop from daraz big home makeover sale and keep enjoying discounts on appliances, furniture and lots of necessary products. To know more info, visit daraz online shopping website and app now. 

css.php