July 3, 2022 9:28 PM Sunday
ramadan shopping at daraz

How to Survive Ramadan During This Heated Summer?

Ramadan is but a few days away and the summer will be at its very peak. This time, the summer is said to be worse than ever. With temperatures going up to 42 to 45 degrees in certain parts of the country, we need to be extra careful when it comes to self-care.

Here’s how to survive through the excessive heat of the summer

Get lots of water in your system

Staying hydrated is the key to surviving the summer but this can become tricky during Ramadan. While you can’t drink anything during the hottest hours of the day, you can pace the amount of drinking water that goes into your system. Get in a solid 6-8 cups as per any normal day.

Stay indoors

With work and home, we spend most of our day indoors anyway but a lot of us find ourselves under the sweltering sun for one reason or another. Try and avoid theses instances as much as possible but if you can’t don’t shy away from looking for shade. Get sun screen cream or even an umbrella to block out the sun as much as possible.

Eat lots of water-based fruits

It’s the season for water melons during this Ramadan. And if you have trouble eating fruits, you can always have fruit juice then instead. Besides, there is always an ideal choice of green coconut to get day long energy. So don’t feel guilty when it comes to consuming fruits. The natural sugar will give you loads of energy and the water content will keep you refreshed.

Stay away from deep fried oily foods

Though it’s hard enough to avoid fried fruits, the truth is that having fried foods everyday for 30 days can never be good for your system. These oily foods will slow you down sucking all the energy during Ramadan which you will badly need.

Don’t Skip Sehri 

It’s pretty much usual that some fasting people prefer a heavy dinner and like to skip Sehri. While it may be tempting to choose an extra hour of sleep over Sehri, skipping it increases the hours between meals and by the time you reach iftar, your body will have exhausted its resources. So, it’s the wise decision to take light dinner for the sake of heavy dinner meal to survive till iftar.

What’s your thought on the survival exit of hot weather, just let us know commenting below.

ramadan shopping at daraz

বাংলাদেশে জনপ্রিয় কিছু ইসলামী বই এর তালিকা (২০২২)

বছর ঘুরে আবারো আসছে রহমত, বরকত ও মাগফেরাতের মাস পবিত্র মাহে রমজান মাস। রমজানের মহান শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করতে এখন আলোচিত কিছু ইসলামী বই খুঁজে নিতে পারেন অনলাইনেই। দারাজ অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট ও অ্যাপে এখন বেশ কিছু বেস্ট সেলার বই বেশ কম খরচেই অর্ডার করতে পারবেন। 

পবিত্র মাহে রমজান মাসে যেসব ইসলামী বই না পড়লেই নয়

পবিত্র আল-কুরআন – বাংলা উচ্চারণ, অনুবাদ ও শানে নুযূল 

Al Quran in daraz

অর্ডার করুন


যে ভাবে কাটাবো মাহে রমজান

mahe Ramjan book in daraz

অর্ডার করুন


আদর্শ মুসলিম

buy adorsho muslim book from daraz

অর্ডার করুন


প্রিয় নবীর প্রিয় সুন্নত

Prio Nobir Prio Sunnot book at daraz

অর্ডার করুন


পূর্ণাঙ্গ অজিফা শরীফ

order ojifa shorif from daraz

অর্ডার করুন


সহীহ বোখারী শরীফ (সকল খণ্ড)

bukhari shorif at daraz

অর্ডার করুন


যখন আসবে মৃত্যুর ডাক – মাওলানা তারিক জামিল

jokhon asbe mrittur dak book in daraz

অর্ডার করুন


কবরের আযাব – মাওলানা তারিক জামিল

koborer ajab book at daraz

অর্ডার করুন

পবিত্র রমজানের মহান আদর্শ হৃদয়ে লালন করতে বেশি বেশি ইবাদত ও আমলের বিকল্প কিছুই নেই। এক্ষেত্রে উপরোক্ত বই সমূহের যেকোন একটির কালেকশন রমজানের পবিত্র মহিমায় নিজেকে উজ্জীবিত করতে যথেষ্ট সহায়তা করতে পারে। রোজার যেকোন দরকারি গ্রোসারি পণ্য শপিং -এ এখন চোখ রাখতে পারেন দারাজ রমজান বাজার সেল পেজে।

bangla new year sale 2022

আবার শুরু হচ্ছে বছরের সবচাইতে বড় বৈশাখী মেলা অনলাইনে!

দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯

দারাজ বৈশাখী মেলায় সবাইকে স্বাগতম

দারাজ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন শপিং মল দারাজ প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ক্রেতাদের কাছে হাজির হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন বৈশাখী মেলা ১৪২৯ নিয়ে। ক্রেতারা বৈশাখী মেলায় উপভোগ করতে পারবেন বিভিন্ন পণ্যে আকর্ষণীয় ছাড়। চমক নিয়ে আসা দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন পহেলা বৈশাখ মেলায় দারাজ বাংলাদেশের সাথেই থাকুন।

বাংলা নিউ ইয়ার (নববর্ষ)

বাংলা নিউ ইয়ার বা নববর্ষ হল বাংলা নতুন বছরের প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিন। বাংলা ভাষায় “বাংলা নববর্ষ” কে বলা হয় “পহেলা বৈশাখ”। সাধারণত পহেলা বৈশাখ দিনটা হয় ইংরেজি বছরের চতুর্থ মাস এপ্রিলের ১৪ তারিখ। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সমগ্র বাঙ্গালীরাই এ উৎসবটিকে ঐতিহ্যগতভাবে পালন করে আসছে।

pohela boishakh (পহেলা বৈশাখ) - Daraz BD (দারাজ)

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও উৎসব

পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালীদের একটি ঐতিহ্যবাহী চিরায়ত উৎসব। এটি বাংলা পঞ্জিকার প্রথম দিন। বাঙ্গালীরা পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠানটিকে সবচেয়ে বেশী মর্যাদা দেয় এবং মনেপ্রাণে ভালবাসে। শুভাকাংখীদের “শুভ নববর্ষ” বলে স্বাগত জানায় এবং পুরনো বছরের সকল হিসেব-নিকেশ, দুঃখ-কষ্ট ভুলে “হালখাতা” নামক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

পহেলা বৈশাখের জন্য চাই বৈশাখী পোশাক

পহেলা বৈশাখের বিশেষ দিনে রমনার বটমূলে বর্ষবরণ করতে বের হওয়ার পরিকল্পনা মানেই বৈশাখী পোষাক কেনার ধুম। প্ল্যানমাফিক ড্রেসের সাথে সবকিছু ম্যাচ করে শপিং করা কিন্তু অতটা সহজসাধ্য কাজ নয়। তার উপর বিষয়টি যথেষ্ট সময় সাপেক্ষও বটে। মনের মত পোষাক আর ঠিকঠাক মত ম্যাচ না হলে কি আর বর্ষবরণ জমে? বিভিন্ন রঙের শাড়ী, পাঞ্জাবী, ফতুয়া, লুঙ্গি, ফ্ল্যাট স্যান্ডেল, সানগ্লাস, টিপ, হালকা জুয়েলারি, বৈশাখী ব্রেসলেট ছাড়াও বিভিন্ন রকমের পোষাক ও সরঞ্জামাদি কেনার ধুম পড়ে। সময় বাঁচিয়ে, সাশ্রয়ী দামে, ঠিকঠাক মত ম্যাচিং করে শপিং করার মত কষ্টকর কাজকে বর্তমান সময়ে এতোটা সহজ করবে অনলাইন শপিং, যা কেউ ভাবেনি আগে। ঘরে বসেই সময় নিয়ন্ত্রণে রেখে, এই যান্ত্রিক নগরীতে জ্যাম থেকে নিজেকে রক্ষা করে সহজেই এখন অনলাইনে শপিং করা যায়।

বৈশাখের প্রধান আকর্ষণ নারীদের শাড়ি আর পুরুষদের পাঞ্জাবি

পহেলা বৈশাখ মানেই সবার চোখ অসাধারণ ডিজাইনের সব শাড়ি আর পাঞ্জাবির দিকে। পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণে কি পড়ে যাবেন তা আগেই সবাই ভেবে রেখে নিজের শপিং আগেই শেষ করে রাখেন বৈশাখ আর ঐতিহ্যপ্রেমী বাঙ্গালীরা। পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করার ধুম পড়ে সমগ্র বাংলায়। ছোট ছেলেদের পছন্দ ঐতিহ্যবাহী সব পাঞ্জাবী, ফতুয়া অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে ফতুয়ার সাথে গামছা আর লুঙ্গি। মেয়েরা তো সুন্দর ডিজাইনের শাড়ী ছাড়া কিছু কিনবেই না!

দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯ কত তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে?

১লা এপ্রিল, ২০২২ তারিখ, রোজ শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া দারাজ বাংলাদেশের বাংলা নতুন বছরের বৈশাখী মেলায় এখন অনলাইনেই ঘরে বসেই আপনি পাবেন অসাধারণ সব বৈশাখী কালেকশন। সঙ্গে সময়ের সেরা মূল্যছাড় তো থাকছেই। দারাজ থেকে কিনতে পারেন ডিজাইনার বৈশাখী পাঞ্জাবি, বৈশাখী শাড়ি, স্যান্ডেল, চুড়ি, টিপ, নানা ধরণের আকর্ষনীয় গহনা সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রকমারি পণ্য। এপ্রিল এর ১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে একেবারে পহেলা বৈশাখ ১৪২৯ পর্যন্ত অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল, ২০২২ পর্যন্ত।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মেলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মেলা হল দারাজ বৈশাখী মেলা। দারাজ বাংলাদেশ বাঙ্গালী ক্রেতাদের নববর্ষ উদযাপনের জন্য দিচ্ছে বিশাল মূল্যছাড়। আপনি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, পোশাক, জুতা, জিনিসপত্র এবং আরো অনেক পণ্যের জন্য অনলাইন শপিং-এর উপর অবিশ্বাস্য মূল্যছাড় পেতে যাচ্ছেন। কেবল ফ্যাশন নয়, স্যামসাং, এইচপি, মাইক্রোসফট, লেনোভো, বাটা, এপেক্স সহ বড় বড় ব্রান্ডের মেগা সেল ইভেন্টে ক্রেতারা কেনাকাটা করতে পারবেন খুব স্বাচ্ছন্দ্যেই এবং আস্থার সাথেই।

চোখ রাখুন দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯ ক্যাম্পেইনে

বছরের সেরা ডিল গুলো পেতে চোখ রাখুন দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯ সনে। নিরাপদ অনলাইন শপিং করতে দারাজের সাথে থাকুন। প্রাণবন্ত অনলাইন শপিং করুন আর ঝক্কি-ঝামেলা কে বিদায় দিন এখনই।

দারাজের যেকোন আপডেট পেতে ভিজিট করুন দারাজ অফিশিয়াল ব্লগে। চোখ রাখুন দারাজ অনলাইন শপিং ওয়েবসাইটে এবং সেরা ডিল লুফে নিতে ডাউনলোড করুন দারাজ অ্যাপ।

শুভ নববর্ষ

bangla new year sale 2022

শুরু হচ্ছে বছরের সবচাইতে বড় বৈশাখী মেলা অনলাইনে!

দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯

দারাজ বৈশাখী মেলায় সবাইকে স্বাগতম

দারাজ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন শপিং মল দারাজ প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ক্রেতাদের কাছে হাজির হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন বৈশাখী মেলা ১৪২৯ নিয়ে। ক্রেতারা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে এই বৃহৎ অনলাইন মেলায় উপভোগ করতে পারবেন বিভিন্ন পণ্যে আকর্ষণীয় ছাড়। চমক নিয়ে আসা দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন পহেলা বৈশাখ মেলায় দারাজ বাংলাদেশের সাথেই থাকুন।

বাংলা নিউ ইয়ার (নববর্ষ)

বাংলা নিউ ইয়ার হল বাংলা নতুন বছরের প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিন। বাংলা ভাষায় “বাংলা নিউ ইয়ার” কে বলা হয় “পহেলা বৈশাখ”। সাধারণত পহেলা বৈশাখ দিনটা হয় ইংরেজি বছরের চতুর্থ মাস এপ্রিলের ১৪ তারিখ। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সমগ্র বাঙ্গালীরাই এ উৎসবটিকে ঐতিহ্যগতভাবে পালন করে আসছে।

pohela boishakh (পহেলা বৈশাখ) - Daraz BD (দারাজ)

বাংলা নিউ ইয়ার বা পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও উৎসব

পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালীদের একটি ঐতিহ্যবাহী চিরায়ত উৎসব। এটি বাংলা পঞ্জিকার প্রথম দিন। বাঙ্গালীরা পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠানটিকে সবচেয়ে বেশী মর্যাদা দেয় এবং মনেপ্রাণে ভালবাসে। শুভাকাংখীদের “শুভ নববর্ষ” বলে স্বাগত জানায় এবং পুরনো বছরের সকল হিসেব-নিকেশ, দুঃখ-কষ্ট ভুলে “হালখাতা” নামক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

পহেলা বৈশাখের জন্য চাই বৈশাখী পোশাক

পহেলা বৈশাখের বিশেষ দিনে রমনার বটমূলে বর্ষবরণ করতে বের হওয়ার পরিকল্পনা মানেই বৈশাখী পোশাক কেনার ধুম। প্ল্যানমাফিক ড্রেসের সাথে সবকিছু ম্যাচ করে শপিং করা কিন্তু অতটা সহজসাধ্য কাজ নয়। তার উপর বিষয়টি যথেষ্ট সময় সাপেক্ষও বটে। মনের মত পোষাক আর ঠিকঠাক মত ম্যাচ না হলে কি আর বর্ষবরণ জমে? সাদা ও লাল রঙের মিশ্রণে বিভিন্ন ডিজাইনের বৈশাখী পাঞ্জাবী ও শাড়ি সহ ফতুয়া, লুঙ্গি, ফ্ল্যাট স্যান্ডেল, সানগ্লাস, টিপ, হালকা জুয়েলারি, বৈশাখী ব্রেসলেট ছাড়াও বিভিন্ন রকমের পোষাক ও সরঞ্জামাদি কেনার ধুম পড়ে। সময় বাঁচিয়ে, সাশ্রয়ী দামে, ঠিকঠাক মত ম্যাচিং করে শপিং করার মত কষ্টকর কাজকে বর্তমান সময়ে এতোটা সহজ করবে অনলাইন শপিং, যা কেউ ভাবেনি আগে। ঘরে বসেই সময় নিয়ন্ত্রণে রেখে, এই যান্ত্রিক নগরীতে জ্যাম থেকে নিজেকে রক্ষা করে এখন অনলাইনে পহেলা বৈশাখ এর শপিং করতে পারবেন বেশ সহজে।

বৈশাখের প্রধান আকর্ষণ নারীদের শাড়ি আর পুরুষদের পাঞ্জাবি

পহেলা বৈশাখ মানেই সবার চোখ অসাধারণ ডিজাইনের সব শাড়ি আর পাঞ্জাবির দিকে। পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণে কি পড়ে যাবেন তা আগেই সবাই ভেবে রেখে নিজের শপিং আগেই শেষ করে রাখেন বৈশাখ আর ঐতিহ্যপ্রেমী বাঙ্গালীরা। পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করার ধুম পড়ে সমগ্র বাংলায়। ছোট ছেলেদের পছন্দ ঐতিহ্যবাহী সব পাঞ্জাবী, ফতুয়া অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে ফতুয়ার সাথে গামছা আর লুঙ্গি। মেয়েরা তো সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি অথবা সালোয়ার কামিজ কিনে রাখবেন আগে ভাগেই!

দারাজ বৈশাখী মেলা ক্যাম্পেইন (২০২২) কত তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে?

১ এপ্রিল, ২০২২ তারিখ, রোজ শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া দারাজ বাংলাদেশের বাংলা নতুন বছরের বৈশাখী মেলায় এখন অনলাইনে ঘরে বসেই আপনি পাবেন অসাধারণ সব বৈশাখী কালেকশন। সঙ্গে সময়ের সেরা মূল্যছাড় তো থাকছেই। দারাজ থেকে কিনতে পারেন বৈশাখী ডিজাইনের পাঞ্জাবী, বৈশাখী শাড়ী, স্যান্ডেল, চুড়ি, টিপ, নানা ধরণের আকর্ষনীয় গহনা সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রকমারি পণ্য। এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে একেবারে পহেলা বৈশাখ ১৪ এপ্রিল, ২০২২ পর্যন্ত।

দারাজ বৈশাখী মেলা – বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন শপিং মেলা

বাংলাদেশের অন্যতম বড় অনলাইন শপিং মেলা হল দারাজ বৈশাখী মেলা। দারাজ বাংলাদেশ বাঙ্গালী ক্রেতাদের নববর্ষ উদযাপনের জন্য দিচ্ছে বিশাল মূল্যছাড়। আপনি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, পোশাক, জুতা, জিনিসপত্র এবং আরো অনেক পণ্যের জন্য অনলাইন শপিং-এর উপর অবিশ্বাস্য মূল্যছাড় পেতে যাচ্ছেন। কেবল ফ্যাশন নয়, স্যামসাং, এইচপি, মাইক্রোসফট, লেনোভো, বাটা, এপেক্স সহ বড় বড় ব্র্যান্ডের মেগা সেল ইভেন্টে ক্রেতারা কেনাকাটা করতে পারবেন খুব স্বাচ্ছন্দ্যেই এবং আস্থার সাথেই।

চোখ রাখুন দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯ (২০২২) ক্যাম্পেইনে

বছরের সেরা ডিল গুলো পেতে চোখ রাখুন দারাজ বৈশাখী মেলা ১৪২৯ (২০২২) ক্যাম্পেইনে। নিরাপদ অনলাইন শপিং করতে দারাজের সাথেই থাকুন। প্রাণবন্ত অনলাইন শপিং করুন আর ঝক্কি-ঝামেলা কে বিদায় দিন এখনই।

যেকোন লোভনীয় ডিল ও ডিসকাউন্ট অফারের আপডেট পেতে ভিজিট করতে পারেন দারাজ বৈশাখী মেলা ক্যাম্পেইনে, চোখ রাখুন দারাজ বৈশাখী মেলা ব্লগ পেজে এখনই।


দারাজ কয়েন অফার আপডেট

অফার নং ১ঃ

কয়েন কালেক্ট করুন এবং স্মার্টফোন জিতুন

১লা এপ্রিল থেকে ১৪ই এপ্রিলের মধ্যে সর্বোচ্চ কয়েন কালেক্ট করুন এবং একটি realme Narzo 50i স্মার্টফোন জিতে নিন।

শর্তাবলিঃ

  • অফারটি ১লা এপ্রিল থেকে ১৪ই এপ্রিলের মধ্যে থাকবে৷ যে গ্রাহক উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক কয়েন কালেক্ট করবেন তাদের বিজয়ী হিসাবে নির্বাচিত করা হবে।
  • চেক-ইন, মিশন ও কেনাকাটার মাধ্যমে কয়েন কালেক্ট করা যাবে।
  • অফারটির পেতে গ্রাহকের অবশ্যই দারাজে পূর্বের সফল অর্ডার থাকতে হবে।
  • বিজয়ীকে একটি realme Narzo 50i স্মার্টফোন উপহার দেওয়া হবে।
  • ৩০ এপ্রিলের পরে বিজয়ীকে উপহার দেওয়া হবে। বিজয়ীকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কল/এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে।
  • অফারটিতে শুধুমাত্র দারাজ অ্যাপের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করা যাবে।
  • একই ডিভাইসে একাধিক অ্যাকাউন্টের ব্যবহারকারীরা অফারটির জন্য যোগ্য হবেন না।
  • দারাজ যে কোন সময় বিজয়ী নির্বাচন, পরিবর্তন বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
  • উপহার সামগ্রীটি ফেরতযোগ্য নয় এবং দারাজ দ্বারা বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হবে না।

উপহারঃ realme Narzo 50i স্মার্টফোন


অফার নং ২ঃ

⇒ প্রতিদিন দারাজ কয়েন চেক-ইন করে জিতে নিতে পারেন ৫০০ টাকার দারাজ ভাউচার।

শর্তাবলীঃ

  • অফারটি ২৫ শে মার্চ থেকে ১৩ ই এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত লাইভ থাকবে। সকাল ১১ টা থেকে ১১ টা ৩০ মিনিটের মধ্যে চেক-ইন করা প্রথম ৫ জন বিজয়ী হিসাবে নির্বাচিত হবে।
  • নির্দিষ্ট সময়ে চেক-ইন করার জন্য শুধুমাত্র প্রথম ৫ জন বিজয়ী হিসাবে বিবেচিত হবে ভাউচার দ্বারা পুরস্কৃত হবে । বিজয়ীদের ১৪ এপ্রিল ২০২২ এ SMS এর মাধ্যমে ভাউচার পাঠানো হবে।
  • একই ব্যক্তিকে একাধিকবার পুরস্কৃত করা হবে না।
  • বিজয়ীদের ভাউচার ১৪ এপ্রিল পাঠানো হবে। ভাউচারগুলি শুধুমাত্র ১৫ই এপ্রিল থেকে ২রা মে ২০২২ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকারীদের এই সময়সীমার মধ্যে ভাউচার ব্যবহার করতে হবে।
  • ভাউচারটিতে সর্বনিম্ন ১৫০০ টাকার কেনাকাটায় ব্যবহার করা যাবে। এই ভাউচারগুলি মুদি, প্যাকেজিং সামগ্রী, ডিজিটাল পণ্য, ইউনিলিভার পিউরিট, মোটরস পণ্য, বেবি টডলার ফুড, ইউটিলিটি পেমেন্ট এবং ভ্রমণ বিভাগ থেকে পণ্য ও পরিষেবা কেনার জন্য ব্যবহার করা যাবে না।
  • অফারটি শুধুমাত্র দারাজ অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাবহার করা যাবে।
  • এই অফারের জন্য যোগ্য হতে গ্রাহকদের অবশ্যই দারাজে আগের সফল অর্ডার থাকতে হবে।
  • দারাজ গ্রাহককে নোটিশ ছাড়াই অফারটি পরিবর্তন বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
bangla new year sale 2022

নববর্ষে বৈশাখী সাজ – ফ্যাশনে পহেলা বৈশাখ ১৪২৯

নানা রঙে, নানা রুপে আবার এলো পহেলা বৈশাখ

দেখতে দেখতে আরেকটা বছর চলে গেল। চলে এলো ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। প্রকৃতি যেন অধীর আগ্রহে গ্রীষ্মের আগমনের অপেক্ষা করছে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে গাছে গাছে ফুটেছে আমের মুকুল। রোদের তাপটাও যেন আস্তে আস্তে প্রখর হয়ে উঠছে। প্রকৃতির সাথে চলছে মানুষেরও নিজেদেরকে নতুন আঙ্গিকে দেখার প্রস্তুতি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে অনেকেই হয়ত এরই মধ্যে বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন, আবার অনেকেই হয়ত পরিবার-পরিজনদের সাথে নিরিবিলি সময় কাটানোর কথা ভাবছেন। প্ল্যান যাই হোক, উৎসবের আমেজ অনুভব করতে সাজসজ্জা আর পোশাক-আশাক বিশাল একটা ভূমিকা পালন করে। তাই বৈশাখী ফ্যাশনের নানান আইডিয়া নিয়ে সাজানো হয়েছে এই পোস্ট।

pohela boishakh online

পহেলা বৈশাখ উদযাপনে মেয়েদের ফ্যাশন

বছরের প্রথম দিন নারীরা হালকা রঙের কটন অথবা সিল্কের আটপৌরে মেয়েদের শাড়ি কিংবা সালোয়ার কামিজ বেছে নিতে পারেন। এছাড়া ফ্যাশন সচেতন তরুণীরা পরতে পারেন কুর্তি। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে এসব রঙ এনে দিতে পারে স্বস্তি। বেছে নিতে পারেন হালকা গোলাপি, হালকা সবুজ কিংবা চিরাচরিত লাল পেড়ে সাদা শাড়ি। দিনের বেলার সাজের জন্য ট্রাই করতে পারেন ট্রেন্ডি “নো-মেকাপ” মেকাপ। হালকা কমপ্যাক্ট পাউডার, মাস্কারা, ব্লাশন এবং ন্যুড লিপস্টিক দিয়ে পেতে পারেন স্নিগ্ধ, নমনীয় একটা লুক। যদি গ্ল্যামারাস লুক চান সেক্ষেত্রে রাতের বেলার অনুষ্ঠানে জমকালো সাজে হয়ে উঠতে পারেন অনন্যা। ব্যবহার করতে পারেন আইশ্যাডো, হাইলাইটার এবং গাঢ়  লিপস্টিক আর জামদানী শাড়ি অথবা কাতান শাড়ি পরতে পারেন।

হালকা গহনা আপনার সাজ পরিপূর্ণ করে তুলবে। পরতে পারেন হাতভর্তি কাঁচের চুড়ি, মেয়েদের আংটি আর সাথে সিলভার বা গোল্ড ঝুমকা কানের দুল এবং মেয়েদের নেকলেস চেইন সহ অন্যান্য জুয়েলারি। সাজে কিছুটা অন্য মাত্রা যোগ করতে চুলে জড়িয়ে নিতে পারেন একগুচ্ছ সুবাসিত ফুল কিংবা হেয়ার স্ট্রেটনার বা কার্লার দিয়ে করে নিতে পারেন সুন্দর সব হেয়ারস্টাইল। এই ছাড়া পোশাকের অনুষঙ্গ হিসেবে মানানসই ব্যাগ, মেয়েদের জুতা, সানগ্লাস আর মিষ্টি গন্ধের পারফিউম নাহলে আউটফিট অপূর্ণ রয়ে যায়। তাছাড়া হাতের ঘড়ির ডিজাইন দেখে পছন্দ করতে পারেন সেরা ঘড়িটিও।


পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ছেলেদের ফ্যাশন

boishakhi panjabi fashion

বছরের প্রথম দিন নারীদের পাশাপাশি পুরুষরাও নানান রকম সাজপোশাকে নিজেদের রুচি উপস্থাপন করতে পারেন। এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন পাঞ্জাবি, কিংবা একটু ভিন্নধর্মী ফতুয়া বা খাটো পাঞ্জাবী এবং সাথে পরতে পারেন ক্লাসিক জিনস বা পায়জামা। তবে এক্ষেত্রে পাঞ্জাবি ডিজাইন ২০২২ ছবি দেখে দারাজ থেকে সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন আপনার পছন্দের পাঞ্জাবিটি।  ট্রেডিশনাল লুকে ভিন্নতা আনতে বেছে নিন স্টাইলিশ ঘড়ি, সানগ্লাস আর স্লিপার। ব্যবহার করতে পারেন পছন্দের পারফিউম আর নানান ধরনের হেয়ার জেল এবং হেয়ার মুজ ব্যবহার করে পুরুষরাও করতে পারেন নানান হেয়ারস্টাইল।

যদি এখন আপনার মনে হয়, নিজেকে সাজানোর অনেক প্রোডাক্টই আপনার কাছে নেই আর হাতে অঢেল সময়ও নেই দোকানে দোকানে ঘুরে কেনা কাটা করার মতো তাহলে একদম মন খারাপ না করে চলে যান দারাজ ওয়েবসাইটে (daraz.com.bd) এবং ঘরে বসে এক ক্লিকেই সেরে ফেলুন পহেলা বৈশাখ ১৪২৯ সনকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি। সেরা দামে সেরা পণ্যগুলো আপনার জন্যই নিয়ে এসেছে দারাজ অনলাইন শপ।

পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে আরও পড়ুনঃ
দারাজের সাথে হোক এই বৈশাখের প্রস্তুতি

daraz pohela boishakh sale

পহেলা বৈশাখের ইতিহাস ও বর্তমান

বছর ঘুরে আবারও আসতে যাচ্ছে পহেলা বৈশাখ। আবারও সময় আসছে পুরাতনের গ্লানি মুছে নতুন কে স্বাগতম জানানোর। আপনাদের কি জানা আছে পহেলা বৈশাখের প্রথম কবে পালন করা হয়? কিভাবে হয় এর প্রচলন? চলুন জেনে নেওয়া যাক পহেলা বৈশাখের ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

ইতিহাস!!!

পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নিয়ে থাকে। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ক্ষেত্র বিশেষে ১৫ই এপ্রিল (ভারত) পহেলা বৈশাখ পালিত হয়।

ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদেরকে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতে হত। খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। সম্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে।

সেই পহেলা বৈশাখের সাথে কালের রুপান্তরে যোগ হয় রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ, মঙ্গল শোভাযাত্রা, হালখাতা, পান্তা ও ইলিশ খাওয়ার প্রথা, নৌকাবাইচ, বউমেলা, ঘোড়ামেলা ইত্যাদি।

বর্তমান!!!

বর্তমানে পহেলা বৈশাখ কে ঘিরে আগের থেকেই শুরু হয় বাঙালিয়ানার রঙ্গে রাঙ্গার জন্য নানা রকম জল্পনা কল্পনা। আগেভাগেই বাঙালি মন প্রস্তুত থাকে পাঞ্জাবি ও পায়জামা, সাদা শাড়ি লালা পাড় সহ নানা রকম আয়োজনে নতুন বছরকে স্বাগতম জানাতে।

তাই বাঙালির প্রাণের উৎসবের আমেজে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো দারাজ শপ অনলাইনে আয়োজন করতে যাচ্ছে বৈশাখের সব থেকে বড় ও ঐতিহ্যবাহী পহেলা বৈশাখ মেলা। যেখানে থাকবে আপনার পছন্দের সব পণ্যের উপর সর্বোচ্চ মূল্যছাড়! বিস্তারিত জানতে দারাজ পহেলা বৈশাখ ক্যাম্পেইনে চোখ রাখতে পারেন।

boishakhi saree at daraz

মেকআপ টিপস – কেমন হওয়া উচিত বৈশাখী সাজ?

সহজে জেনে নিন কেমন হবে এবারের বৈশাখী সাজ

কোটি বাঙ্গালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ, যা পহেলা বৈশাখ নামেও পরিচিত। বছরের বিশেষ এই দিনটিতে বেশিরভাগ মেয়েরাই পছন্দ করে শাড়ি-চুড়ি পরে ট্রেডিশনাল একটি লুক রাখার, আর সাথে থাকে মনোরম মেকআপের ছোয়া! কিন্তু বেজায় গরমের মধ্যে সবার একটাই চিন্তা থাকে কি করে মেক-আপ করলে তা অনেকক্ষন থাকবে আর পাশাপাশি এনে দিবে স্নিগ্ধতার ছটা। আসুন জেনে নেই কি ভাবে আমরা অল্প কিছু পণ্য ব্যবহার করেই পেতে পারি একটি অসাধারণ শৈল্পিক বৈশাখী লুক।

সবার আগে ফেসিয়াল ক্লিনজিং টা আবশ্যক। কারন, প্রথমত বৈশাখের দিনটিতে থাকে প্রচণ্ড গরম, আর যাদের অয়েলি বা তেলতেলে স্কিন, তাদের মেক-আপ করতে বেশ বেগ পেতে হয়। তাই ভাল একটি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালো ভাবে ধুয়ে নিলে মুখের তেলতেলে ভাব টাও চলে যাবে, আর আপনার মুখে মেক-আপও বসবে বেশ সুন্দর ভাবে। ত্বকে ব্যাল্যান্স রাখার জন্যে ব্যবহার করতে হবে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম এবং সেটি অবশ্যই হওয়া উচিত একটি জেল বেইসড লাইট ওয়েট ধরনের।

এবার আসি প্রিপ অ্যান্ড প্রাইমে। ফাউন্ডেশন দীর্ঘসময় ধরে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে প্রাইমার ও কন্সিলার। প্রাইমার ব্যবহার করে আপনি মুখের ফাইন লাইন ও পোরস ঢাকতে পারবেন। আর কন্সিলার ব্যাবহার করে আপনার মুখের ও চোখের নিচের যেকোনো কালো দাগ ঢাকা যাবে সহজেই।

এরপর আসে ফাউন্ডেশন বা বেইজ মেক-আপ। ফাউন্ডেশন কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজের স্কিন টোনের থেকে এক শেড হালকা কিনতে হবে এবং এইটি অ্যাপলাই করার পর উইজ করতে হবে কমপ্যাক্ট পাউডার বা ফেইস পাউডার যা আপনার বেইজ মেক-আপ কে দিবে একটি কমপ্লিট লুক।

এখন আসা যাক আই মেকআপ সামগ্রী ও যাবতীয় অনুসঙ্গ প্রসঙ্গে। চোখটি সুন্দর করে না সাঁজালে কিন্তু আসলে পুরো লুকটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তাই চোখ কে বিভিন্ন রঙ্গে রাঙ্গাতে বাব্যহার করতে পারেন কালারফুল কন্টাক্ট লেন্স। চোখের পাতায় শাড়ির রঙের সাথে মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আই শ্যাডো। আর ফিনিশিং এ আইলাইনার ও চোখ বড় দেখানোর জন্যে ভ্লিউমাইজিং মাস্কারা।

সবশেষে, ঠোঁট! বৈশাখের পুরো লুকটা যদি লাল লিপস্টিক দিয়ে শেষ করা যায় তাহলে মনে হয় মন্দ হয়না কিন্তু লিপস্টিক টা হওয়া উচিত ফুল ম্যাট যাতে তা ছড়িয়ে না যায়। সবশেষে গালে একটু গোলাপি আভার ব্লাশন দিতে ভুলবেন না প্লিজ! ব্যস হয়ে গেল খুব সহজেই মাত্র কয়েকটা প্রোডাক্ট দিয়ে একটি বর্ণিল বৈশাখী সাজ!

আরো পড়ুনঃ নববর্ষে বৈশাখী সাজ

ramadan shopping at daraz

পবিত্র মাহে রমজানে সুস্থ থাকতে চাই স্বাস্থ্যকর ইফতার

বাইরে এখন গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ। এর মধ্যেই বছর ঘুরে হাজির হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। তাই বলে কি রোজা রাখবেন না? এই গরমে সারাদিন না খেয়ে থাকাটা স্বাস্থ্যের জন্য বিরাট ঝুঁকি হতে পারে যদি না ইফতারের সময় টেবিলে থাকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। ইফতারে পুষ্টিকর খাবার মেনু শুধু আপনার সারাদিনের পুষ্টির চাহিদাই পূরণ করবে না, সাথে যোগাবে সুস্থ শরীরে পরের দিন রোজা রাখার শক্তি। তাই শুধু ইফতার ও সেহরীর সময়সূচী ২০২২ জানলেই হবে না, সেই সাথে জানতে হবে কিভাবে গরমের মধ্যেও ইফতারের সঠিক নিয়ম মেনে সুস্থ থাকতে হয়।

রমজান মানেই টেবিলভর্তি বিভিন্ন মজাদার ইফতার আয়োজন। ঘরে ঘরে গৃহিণীদেরও ইচ্ছে থাকে ইফতারের আয়োজনটা হোক কিছুটা আলাদা। তাই রোজার মাস এলেই চারিদিকে দেখা যায় হরেক রকমের ইফতার আইটেম এর রেসিপি। কিন্তু প্রায়ই আমরা ইফতারের গুরুত্বকে অবহেলা করে অস্বাস্থ্যকর ইফতার রেসিপিতে ভর্তি করে ফেলি ইফতারি খাবার টেবিল- যা একেবারেই অনুচিত। এছাড়া আমাদের দেশে সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারে তেলে ভাজা ও চর্বি সমৃদ্ধ খাবারের অভ্যাস দেখা যায়, যা তৈরী করতে পারে মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

এই গরমে ইফতারের খাবার উপাদান হিসেবে যেসব আইটেম থাকা দরকার প্রতিদিনকার ইফতারি আয়োজনে

পুষ্টিকর পানীয়

রমজান এলেই বিভিন্ন আকর্ষণীয় ইফতার রেসিপি দেখা যায় টিভি প্রোগ্রামে, পত্রিকায়, সবখানে। কিন্তু সেই তুলনায় পুষ্টিকর তরল খাবার নিয়ে সচেতনতা দেখা যায় না। অথচ গরমে সারাদিন রোজা রাখলে দেহে দেখা দেয় মারাত্নক পানিশূন্যতা। শরীরের পানির এই ঘাটতি পূরণ করতে ইফতারে বেশি করে পুষ্টিকর পানীয় রাখতে হবে। ইফতারে পানীয় হিসেবে রুহ আফজা, ট্যাং ও লেবুর সরবত জনপ্রিয়। কিন্তু দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে ইফতার ডাইনিং টেবিল -এ রাখতে পারেন বিভিন্ন তাজা ফলের জুস, লেবু পানি, ডাবের পানি, আখের রস ও গুড়ের শরবত প্রভৃতি। এছাড়া শরবত তৈরিতে ব্রাউন সুগার বা বাদামি চিনি, তাল মিছরি, গুড় ও মধুর ব্যবহার আপনার পানির চাহিদার পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করবে শতভাগ।

মৌসুমী ফল

বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে আম, লিচু, জাম, কাঁঠাল, আনারস সহ গ্রীষ্মের বিভিন্ন মৌসুমী ফল। আমাদের দেশে ইফতার ফল দিয়ে করার খুব একটা প্রচলন নেই। যদিও পৃথিবীর অনেক দেশেই ইফতারে ফলাহার করার রীতি রয়েছে। এইসব মৌসুমি ফল একইসাথে সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও পানিশূন্যতা দূর করতে অতুলনীয়। কারণ ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও মিনারেল, যা আপনাকে এই গরমে রাখবে সুস্থ। এছাড়া ফলের তৈরী বিভিন্ন খাবার ও মিষ্টিজাতীয় ডেজার্ট রাখতে পারেন ইফতারের উল্লেখযোগ্য খাবার হিসেবে।

কাঁচা ছোলা

বাংলাদেশে ইফতারে ছোলা একটি জনপ্রিয় খাবার। ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। তবে অতিরিক্ত তেল ও মসলায় ভুনা ছোলা অনেক সময় উপকারের থেকে ক্ষতিই করে বেশি। তারচেয়ে বেশি উপকার পেতে পারেন কাঁচা ছোলায়। ছোলা ভাল করে ধুয়ে সারারাত ভিজিয়ে ইফতারের আগে আগে পেঁয়াজ, রসূন, মরিচ, আদা ও খাঁটি সরিষার তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। এছাড়া সিদ্ধ ছোলার সাথে পেঁয়াজ, মরিচ, শশা, টমেটো ইত্যাদি মিশিয়ে খেলেও অনেক খাদ্য আঁশ ও প্রোটিন পাওয়া যায়, যা আপনার ক্লান্ত শরীরে যোগাবে প্রয়োজনীয় প্রাণ শক্তি।

মিষ্টি জাতীয় খাবার

ইফতারে চিড়া, খেজুর ও আখের গুড়, পাটালি, জিলাপি ও বন্দিয়া জাতীয় খাবারের প্রচলন রয়েছে আমাদের দেশে। তবে ইফতারিতে একটি আদর্শ খাবার হতে পারে দই-চিড়া ও দুধ-চিড়া অথবা কলা-চিড়া ও আম-চিড়া। এইসব খাবার পেট ঠান্ডা রাখে ফলে গ্যাসের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকে না। তাই সেহরি ও ইফতারের খাবার হিসেবে এই ধরণের খাবার বেশি পরিমাণে রাখতে পারেন মেনুতে। এছাড়া পরিমিত পরিমাণে মিষ্টান্নের সাথে গুঁড়া দুধ কিংবা তরল দুধের তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন ফালুদা, কাস্টার্ড, পুডিং, ফিরনি বা পায়েস ও সেমাই ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে চা অথবা কফি কিংবা পেট গরম করে এমন খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই মঙ্গল।

শাকসবজি

উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ শাকসবজি আপনাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়, যা আপনার শরীরের জন্য অতি দরকারি। তাই মাঝে মাঝে চকবাজারের ইফতার খেতে পারেন, কিন্তু খেয়াল রাখবেন অধিকাংশ সময়ই যেন ইফতার আলুর চপ, অতিরিক্ত তেল চপচপ করে ভাজা খাবার, হালিম, বিরিয়ানি প্রভৃতি কম থাকে। তারচেয়ে সবজি পাকোড়া, সবজীর স্যুপ, শাকের বড়া, বেগুনী ও রসূনের চপ প্রভৃতি খাবার বেশি উপকারি হতে পারে।

– এছাড়া ইফতারের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় মনে রাখতে পারেন –

  • মাগরেবের আযান পড়ার সাথে সাথে খুব তাড়াহুড়া করে অধিক পরিমাণে ইফতার করা উচিৎ নয়। কারণ সারাদিন না খেয়ে থাকার পর একসাথে অনেক বেশি খাবার আপনার জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। ধীরে ধীরে সময় নিয়ে ইফতার করুন।
  • অনেকেই ডায়েট ইফতার করেন যেটা একেবারেই উচিৎ না। সারাদিন না খেয়ে থেকে এমনিতেই আপনার শরীর দুর্বল থাকে। তাই ইফতারে ডায়েট না করে সুষম খাবার গ্রহণের প্রতি মনযোগী হওয়া উচিৎ।
  • চেষ্টা করবেন ইফতারে যেন সব ধরণের খাদ্য উপাদান থাকে।
  • ইফতারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ঠিক না। তারচেয়ে অল্প বিরতিতে কিছুক্ষণ পর পর খাবার গ্রহণ করতে পারেন।
  • ইফতার করার পরপরই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছুটা হাঁটাচলা করুন।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন, ইদানিং গরম বেশি বলে আগেই পানি ফ্রিজ এ রাখতে পারেন কিংবা ফ্রিজের বরফ ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন রোজা রাখার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পানিশুন্যতা, যা আপনাকে হিটস্ট্রোকের দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে শুরুতেই একসাথে অনেক পানি পান করা অনুচিৎ।

আরো দেখুনঃ সেহেরীর খাবার তালিকা

boishakhi saree at daraz

এ বছর যেমন হতে পারে মেয়েদের বৈশাখী সাজ!

সময়ের দরজায় পহেলা বৈশাখ কড়া নাড়ছে। আর মাত্র কটা দিন। বাতাসে পাওয়া যাচ্ছে উৎসবের গন্ধ। বাংলা নতুন বছরে এবার কিভাবে সাজবেন?

women's boishakhi dress at daraz

জেনে নিন বৈশাখী সাজের ৩টি সহজ টিপসঃ

১। শাড়িঃ

বৈশাখ বললেই চোখে ভাসে সাদা শাড়ি লাল পাড়। কারণ রমনার বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ছায়ানটের শিল্পীরা শুরু করেছিল এই সাজের চল।

আসলে কিন্তু বৈশাখে নতুন বছর বরণ করে নেয়ার খুশির সাথে যে কোন উজ্জ্বল রঙের পাড়ই খুব ভাল মানায়। এবার সাদা শাড়ি লাল পাড়ের পাশাপাশি গ্রীষ্মের রঙ হলুদ বা কমলা পাড়ের শাড়িও চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এতে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবে চোখে পড়বে আপনাকে।

২. মেকআপঃ

এই গরমে বাইরে বের হলেই প্রচুর ঘাম হবে। তাই ভুল করেও ভারি ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। অত্যধিক গরমে সেজেগুজে বাইরে বেরিয়ে যদি মেকআপ গলে গলে পড়তে থাকে তাহলে আর এই সাজে লাভ কি?

হালকা কনসিলার ব্যবহার করে তার ওপর হালকা করে ফেস পাউডার লাগিয়ে নিন। এরপর গাঢ় করে করুন আই-মেকআপ। ব্রাউন বা গোল্ডেন আই শ্যাডো ব্যবহার করুন আর মোটা করে কাজল বা আইলাইনার টেনে, ঘন করে লাগান মাস্কারা। নকল পাঁপড়ি না লাগালেও চলবে দিনের এই হালকা সাজে। হালকা ব্লাশনের সাথে লাগান মানানসই ম্যাট লিপস্টিক।  কপালে বড় একটি টিপ পরতে ভুলবেন না যেন।

৩. গয়না/অ্যাক্সেসরিজঃ

বৈশাখী সাজে ভারি সোনা বা রূপার গয়না অ্যাভয়েড করে হালকা গড়নের গহনা বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কাঠ, মাটি বা অ্যান্টিকের গয়না পরুন শাড়ির সাথে ম্যাচ করে। চুল লম্বা হলে খোঁপা করে একটি খোঁপার কাঁটা গুঁজে নিন। আর ছোট চুল হলে ব্লো-ড্রাই করে ফেলুন, সঙ্গে একটি ক্লিপ রাখুন যাতে করে বাইরে গেলে যদি বেশি গরম লাগে, চট করে চুল আটকে নিতে পারবেন। বৈশাখী সাজে ভ্যানিটি ব্যাগ পরিহার করা উচিত।  এর বদলে কাঁধে ঝুলিয়ে নিতে পারেন একটি ফ্যাশনেবল কাঁধ ব্যাগ।

ব্যাস, হয়ে গেলো আপনার বৈশাখী সাজ। সহজ হালকা সাজে উপভোগ করুন এবারের পহেলা বৈশাখ নতুন বছরের উল্লাসে। আর বৈশাখে প্রচুর পানি আর সরবত খেতে ভুলবেন না যেন, না হলে ডিহাইড্রেটেড হয়ে যাবেন কিন্তু।

আরও পড়ুনঃ

>>আসছে বছরের সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলা<<

ramadan shopping at daraz

তীব্র গরমে সেহেরির খাবার তালিকা যেমন হওয়া উচিৎ

বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে পবিত্র মাহে রমজান। এসময় ভোর রাতের সেহেরি থেকে ইফতারের মাধ্যমে রোজা ভাঙ্গার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়। তাই সেহেরী হতে হবে পরিকল্পিত ও স্বাস্থ্যকর যেন সারাদিন রোজা রাখার শক্তি পাওয়া যায়। বিশেষ করে এবারের কাঠফাটা গরমে আলাদাভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে সেহরির খাবার তালিকার দিকে, নইলে অসুস্থ হয়ে পড়াসহ দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেওয়াটা মোটেও অবাক করার মত নয়। অনেকেই আবার সারাদিন না খেয়ে থাকতে হবে বলে সেহেরীতে যত বেশি সম্ভব খেয়ে নেওয়া যায় এমন পন্থা অবলম্বন করেন যা মোটেও স্বাস্থসম্মত নয়। বরং সেহেরীর খাবার এমন হওয়া দরকার যেন তা সারাদিনের দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে, আবার এত অতিরিক্ত খাওয়াটাও উচিৎ না, যা আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে।

daraz ramadan bazar sale

সেহেরীতে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকা তৈরীতে যেসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা দরকার

সেহেরিতে যেসব খাবার খাওয়া যেতে পারেঃ

ভাত – রুটি

সেহেরি হচ্ছে রমজানের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খাবার। এতে এমন ধরণের খাবার খাওয়া উচিৎ, যা হজম হতে সময় লাগে এবং দীর্ঘক্ষণ কর্মশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। একারণে সেহেরির খাদ্য তালিকায় শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট সম্পন্ন খাবার রাখা উচিৎ। কারণ কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজ দেয় এবং খাদ্যে আঁশের চাহিদা জোগায়। বাসায় রাইস কুকার দিয়ে রান্না করা ঢেঁকিছাঁটা চাল এর ভাত, লাল আটার রুটি, আলু, চিড়া, ওটস, সিরিয়াল, বার্লি – এই খাবারগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকে। এছাড়া ধীরগতিতে হজম হয় এবং হজম হতে প্রায় ৮ ঘণ্টা লাগে বলে এসব খাবার খেলে দিনের বেলায় কম ক্ষুধা লাগে। তাই সেহেরির খাদ্য তালিকার একটা বড় অংশ জুড়ে এসব খাবার রাখলে তা আপনাকে রোজার সময়ও সারাদিন সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখবে।

প্রোটিন জাতীয় খাবার

সেহরিতে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাবার থাকলে তা আপনার দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সারাদিন আপনাকে শক্তি যোগাবে। মাছ, মাংস, তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, দুধজাত খাবার, ডিম, ডাল প্রভৃতি খাবার প্রোটিনের ভালো উৎস। এছাড়া এসব খাবারে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, আয়রন প্রভৃতি পুষ্টি উপাদানও প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা আপনার হাড়ের সুস্থতার জন্য জরুরি। বিশেষ ভাবে সেহেরীতে দুধ আপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার হতে পারে। লো ফ্যাট দুধ রক্তের কোলেস্টেরল বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া দুধজাতীয় বিভিন্ন খাবার যেমন ঘরে দই মেকার দিয়ে বানানো দই, ছানা প্রভৃতি কিংবা কলা ও আম সহ দুধভাত রোজার সময়ে আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগাবে। মাছ বা মাংসের বদলে সেহেরীর খাবারে একটি ডিম থাকলেও তা আপনাকে প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদা পূরণ করতে পারে।

তাজা সবজি

ভিটামিন শরীরের জন্য খুবই দরকারী একটি পুষ্টি উপাদান। তাজা শাকসবজি দেহের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। তাই সেহরিতে প্রতিদিন সবজি খাওয়া উচিৎ। তবে রাতের খাবারে অতিরিক্ত আঁশযুক্ত সবজি খাওয়া ঠিক না। কারণ অতিরিক্ত ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি হজমের ঝামেলা করতে পারে। তার বদলে সেহেরীতে মাঝারি আঁশের সবজি যেমন- ঝিঙে, চিচিংগা, লাউ, পেঁপে, চালকুমড়া, গাজর প্রভৃতি খাওয়াটা বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

ফলমূল

সেহেরীর খাবারের পর ফল খেলে তা দিনের বাকী সময়টায় আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিৎ। ভোররাতে টক জাতীয় ফল না খাওয়াই ভালো। এর ফলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি বাড়ে। মাঝারি আঁশযুক্ত ও নরম পাকা ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী। পেঁপে, কলা, আম ইত্যাদি অথবা বিভিন্ন মৌসুমী ফলের ও দুধের তৈরি কাস্টার্ড খাওয়া যেতে পারে। এইসব সুস্বাদু ফল ও ফলজাত খাবার দেহের পুষ্টি উপাদান ও পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দীর্ঘসময় শরীরের শক্তি যোগায়।

তরল জাতীয় খাবার

রোজা রাখার অন্যতম স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা হচ্ছে শরীরের পানি ঘাটতি। তাই যেসব খাবার পানিশূণ্যতা দূর করে, সেহেরির খাদ্য তালিকায় সেসব খাবার যোগ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ডাবের পানি, শসা, আনারস, টমেটো, কমলা ও তরমুজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য হতে পারে। এছাড়া সেহেরিতে পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করা উচিৎ যেন সারাদিনের পানি ঘাটতি পূরণ হয়। তবে তাই বলে গলা পর্যন্ত পানি পান করা উচিৎ না। বরং কিছুটা ফাঁকা রাখুন। খুব ঠান্ডা এবং খুব গরম পানি পান করা উচিৎ না। এ ছাড়া তরল খাবার হিসেবে দুধ, পাতলা সাগু, সাবু বা বার্লি, সুজি, স্যুপ, আঙ্গুরের রস ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে সেহেরীতে। অনলাইনে ট্যাং অর্ডার করে অথবা ঘরে ব্লেন্ডার মেশিন দিয়ে ফলের রস কিংবা জুস বানিয়ে তরল খাবারের ঘাটতি অনেকাংশেই কমিয়ে ফেলা সম্ভব রোজার মাসে।

সেহেরীতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালোঃ

সেহেরির সময় বেশি তৈলাক্ত, মসলাদার এবং ঝাল খাবার খাওয়া উচিৎ না। সেক্ষেত্রে সেহেরির খাদ্য তালিকা থেকে বিরিয়ানী, পোলাও, তেহারি প্রভৃতি ভারি ধরণের খাবার বাদ দিতে পারেন। কারণ সেহেরীতে এসব খাবার খেলে বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া করা এবং পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে। অনেকেই সেহরিতে কফি মেশিন দিয়ে বানানো চা অথবা কফি খেতে পছন্দ করেন। অনেকে আবার কোক এর মত কোল্ড ড্রিঙ্কস বা বেভারেজ পানীয় খেতে তৃপ্তি পান। কিন্তু এসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে, যা মূত্রের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে শরীরের পানির পরিমাণ কমে যায় এবং খুব তাড়াতাড়ি তৃষ্ণা পায়। তাই সেহেরিতে এসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিৎ। পানিশূণ্যতা বাড়ায় বলে সেহেরির সময় অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খাওয়া উচিৎ নয়।

প্রচন্ড গরমে রোজা রেখে সুস্থ থাকতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই সেহেরির খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সঠিক খাদ্যাভাস না মেনে রোজা রাখলে খুব সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। বিশেষ করে দেহে পানিশূন্যতা যাতে না হয়, সেদিকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে। আর অবশ্যই সেহেরি খাওয়ার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া সমীচীন হবে না। তাহলে আশা করি এই গরমেও রোজা রাখতে খুব বেশি সমস্যায় পড়তে হবে না।

আরো দেখুনঃ ইফতার খাবার তালিকা

css.php