২৬ শে মার্চ কেন স্বাধীনতা দিবস? 3 52994

Last updated on জুন 6th, 2023 at 12:24 অপরাহ্ন

১৯৪৭ সালের আগস্টে প্রায় ২০০ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বিদায় নেয় ব্রিটিশরা। কিন্তু ব্রিটিশদের এই সুদীর্ঘ শোষনের ইতিহাস ‘শেষ হইয়াও যেন হইলো না শেষ’। আর সেই স্বাধীনতা নাটকের শেষ অঙ্কের সূচনা ঘটে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ- যার মাধ্যমে পশ্চিম পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ নামক নতুন এক ভূখণ্ড। 

২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস তা প্রায় সবাই জানে। কিন্তু স্বাধীনতা দিবসের কারণ বা এর পেছনের ইতিহাসটা কি? আমাদের মধ্যে অনেকেই সঠিকভাবে জানে না স্বাধীনতা দিবস কি। অথচ স্বাধীনতার এই সোনালী সূর্য ছিনিয়ে আনার জন্য জীবন দিয়েছেন লক্ষ লক্ষ শহীদ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কবে?

২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭১ সালের তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটিকে স্মরণ করে  প্রতি বছর গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর্যের মাধ্যমে পালন করা হয় দিনটি। 

স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস

১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে জন্ম নেয় ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্র। কিন্তু ভারতের পশ্চিমে অবস্থিত পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব দিকের ভূখণ্ড তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) মধ্যে বৈরীতার হাওয়া দেখা যাচ্ছিলো শুরু থেকেই। বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী পশ্চিম পাকিস্তান ভাষাসহ চাকরি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের সাথে বৈষম্যের আচরণ করতে থাকে- যার ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে একটা অনিবার্য সংঘাতের দিকে মোড় নেয় পরিস্থিতি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) নিরীহ জনগণের উপর হামলা চালায় ও গ্রেপ্তার করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার শেখ মুজিবুর রহমানকে। তবে গ্রেপ্তারের কিছু আগেই ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। ঘোষণাটি নিম্নরুপ:

war declaration 1971

এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উত্খাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক।

২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রে শেখ মুজিব এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি মাইকিং করে প্রচার করা হয়। পরে ২৭শে মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে পুনরায় স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

কবে থেকে স্বাধীনতা দিবসের শুরু হয়েছে?

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ থেকে স্বাধীনতা দিবসের মাধ্যমে সূচনা হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের। দীর্ঘ নয় মাসের এই যুদ্ধের মাধ্যমে অনেক ত্যাগ ও রক্তের মাধ্যমে আমরা বিজয় লাভ করি ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। অর্জিত হয় মহান স্বাধীনতা। তারপর থেকেই প্রতিবছর ২৬ মার্চকে পালন করা হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে।

২৬ শে মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কবে?

২৬ শে মার্চ কি দিবস- তা এখন আমরা সবাই জানি। কিন্তু ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন তা আমরা অনেকেই জানি না। দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে ২৬ মার্চকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করার ঘোষণা দেয়া হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।

Independecne war

স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য

জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। এই দিনটি প্রত্যেক বাংলাদেশীর জীবনে বয়ে আনে একই সঙ্গে আনন্দ-বেদনা-গৌরবের এক অম্ল-মধুর অনুভূতি। একদিকে হারানোর কষ্ট অন্যদিকে মুক্তির আনন্দ। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছু ছাড়িয়ে স্বাধীনতা প্রাপ্তির অপার আনন্দই বড় হয়ে ওঠে প্রতিটি বাঙালির কাছে। গৌরবোজ্জ্বল এই দিনটি প্রতিবছর আসে আত্মত্যাগ, আত্মপরিচয় ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে। সেই সাথে স্মরণ করিয়ে দেয় আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য। নব উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আসে এই দিন। আমাদের উচিত এই দিনটিকে শক্তিতে পরিণত করে নতুন দিনের পথে এগিয়ে চলার।

মহান স্বাধীনতা দিবসে দারাজে আকর্ষণীয় ডিল ও ডিসকাউন্ট

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার ৫০ বছরে দারাজ আয়োজন করেছে ‘মহান স্বাধীনতা দিবস ক্যাম্পেইন‘। বিশাল ছাড় ও ডিসকাউন্টের মাধ্যমে শপিং এর এই দারুণ ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে দারুণ এই ইতিহাস উদযাপনের সঙ্গী হতে পারেন আপনিও।

Spread the love
Previous ArticleNext Article

3 Comments

মন্তব্য করুন

দারাজ অ্যাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ৭ টি বিষয় দেখে নিন একনজরে 2 7429

দারাজ যে কারনে সেরা অনলাইন অ্যাপ
Last updated on জানুয়ারি 8th, 2024 at 03:32 অপরাহ্ন

দারাজ অ্যাপ নিঃসন্দেহে বলা যায় বাংলাদেশের এক নম্বর অনলাইন শপিং অ্যাপ (Number One Online Shopping App)! সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে চালু হয় দারাজ অ্যাপের নতুন ভার্সন, যেখানে কাজে লাগানো হয়েছে টেক জায়ান্ট আলিবাবার টেকনোলজি। ইতিমধ্যেই দারাজ গ্রাহকদের কাছে সাড়া জাগিয়ে তুলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পন্ন এই অ্যাপ! বেশ কিছু গ্রাহককে আমরা জিজ্ঞাসা করেছিলাম দারাজের কোন বিষয়টি তাদের সবচেয়ে ভালো লাগে? তাদের অধিকাংশের উত্তর ছিল দারাজের ফাস্ট ও অত্যাধুনিক (Fast and Developed) প্রযুক্তির অ্যাপ !

কেন দারাজ অ্যাপ অনলাইন শপিং এর সেরা অ্যাপ ?

তো কি ব্যতিক্রম আছে দারাজের এই অ্যাপে? চলুন জেনে নেই আজকের এই লেখাটি থেকে :

১) সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড

দারাজ অ্যাপ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ডাউনলোড হওয়া শপিং অ্যাপ (APP)। বর্তমানে দারাজ অনলাইন শপিং অ্যাপ গুগল প্লেস্টোরে ডাউনলোড হয়েছে ৫০ মিলিয়ন এরও বেশি, যা বাংলাদেশের প্রথম সারির সকল শপিং অ্যাপের সমন্বিত ডাউনলোডের চেয়েও বেশি। জনপ্রিয় এই অ্যাপটির বর্তমান সাইজ আছে ৬২ মেগাবাইট এবং ৩.৩৭ মিলিয়নের বেশি গ্রাহক দারাজ অ্যাপটির রিভিউ করেছেন।

২) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

enjoy advanced artificial intelligence of daraz app

দারাজ অ্যাপ বাংলাদেশের একমাত্র শপিং অ্যাপ যেখানে আছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (ARTIFICIAL INTELLIGENCE) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। দারাজ অ্যাপ এমন ভাবে প্রোগ্রাম করা যা আপনার আগ্রহ এবং সার্চ প্যাটার্ন এর উপর ভিত্তি করে আপনাকে পণ্য সাজেস্ট করবে। আপনি যেমনটা ভাববেন দারাজ অ্যাপে ঠিক তেমনি পণ্যের সাজেশন আসতে থাকবে আপনার জন্যে!

৩) পিসিআই ডিএসএস সার্টিফিকেট

enjoy PCI certification on Daraz App

দারাজ অ্যাপে আপনার জন্য আছে ক্রেডিট কিংবা ডেবিট কার্ড সেভ করে রাখার সুবিধা! একবার কার্ড সেভ করলে পরবর্তীতে আপনাকে বারবার কার্ডের তথ্য দেওয়ার ঝামেলায় পড়তে হবে না! দারাজ হল PCI compliant platform যা নিশ্চিত করবে আপনার নিরাপদ ও সুরক্ষিত লেনদেন।

৪) মোবাইল রিচার্জ বা ফ্লেক্সি লোড সুবিধা

enjoy instant top up facility of daraz app

একটি শপিং অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনি টপ আপ করতে পারছেন! কিছুটা অবাক করার মতো বিষয় হলেও দারাজ অ্যাপ থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনে বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, রবি এবং টেলিটক অপারেটরে রিচার্জ করতে পারবেন। তাছাড়া মাঝে মাঝে টপ আপে ডিসকাউন্ট উপভোগ করা সম্ভব শুধুমাত্র দারাজ অ্যাপ থেকেই।

৫) রিভিউ, সেলার রেটিং এবং সেলারদের সাথে সরাসরি চ্যাট

Image Review, Product Rating and Customer Chatting Service of Daraz.com.bd

দারাজ APP একমাত্র শপিং অ্যাপ যেখানে আপনি পণ্য ক্রয় করার পর সেই পণ্যের ছবিসহ রিভিউ দিতে পারবেন, পারবেন কোন পণ্য অর্ডার করার পূর্বে Seller এর সাথে chatting করে পণ্য সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার সুযোগ! তাছাড়া যেকোন প্ৰয়োজনে দারাজ অ্যাপ থেকেই আপনি দারাজ কাস্টমার কেয়ার এজেন্টের সাথে চ্যাট করতে পারবেন।

৬) দারাজ কয়েন দিয়ে শপিং

dCoins program

দারাজ অ্যাপ থেকে শুধু শপিং নয়, এখন থাকছে কয়েন জেতার সুযোগও। ডিকয়েন্স (dCoins) প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিদিন দারাজ অ্যাপ ভিজিট করে জিতে নিতে পারবেন নির্দিষ্ট সংখ্যক কয়েন- যার মাধ্যমে পরে শপিং করতে পারবেন দারুণ সব ভাউচারের মাধ্যমে, আরো সাশ্রয়ী মূল্যে

৭) দারাজ লাইভ দেখার সুযোগ

dCoins program

সাম্প্রতিক সময়ে দারাজ ক্রেতাদের কেনাকাটায় দারুণ অভিজ্ঞতা যোগ করেছে দারাজ লাইভ বা ডিলাইভ (dLive)। দারাজ লাইভ ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে এক ধরণের সংযোগ স্থাপন করে। এর ফলে ভিডিও স্ট্রীমের মাধ্যমে লাইভ দেখার পরেই আপনি পণ্য দেখেশুনে অর্ডার করতে পারবেন।

এছাড়াও দারাজে আছে অগণিত আকর্ষণীয় ফিচার। তো আর দেরি কেন? সময়ের সেরা দারাজ অ্যাপের মাধ্যমে ভিজিট করতে পারেন দারাজ – আরো দারুণ সব ডিলস যেখানে অপেক্ষা করছে শুধুমাত্র আপনার জন্য।

আরও পড়তে পারেন,

>> Best Online Shopping App in Bangladesh <<

Cricket Lover? Enjoy live cricket streaming free on Daraz App Now.

Spread the love

পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ – ইতিহাস ও বৈশাখী মেলার আদ্যপান্ত 0 4436

Last updated on জুন 6th, 2023 at 12:24 অপরাহ্ন

পহেলা বৈশাখ – ১ লা বৈশাখ ১৪৩০, ১৪ ই এপ্রিল ২০২৩

পহেলা বৈশাখ কি?

বাঙ্গালীর উৎসব পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ সুপ্রাচীন বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের প্রথম দিনটিকে পালন করা হয় বাংলা নববর্ষ অথবা বাঙ্গালীর বৈশাখী মেলা হিসেবে। এদিন বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নানা আড়ম্বর-আয়োজনের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বাংলা বছরকে। আগামী দিনের সম্ভবনা আর সমৃদ্ধি কামনায় উৎসবে মেতে ওঠে গোটা জনপদ।

পহেলা বৈশাখের ইতিহাস

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে বাংলার সবুজ কৃষি নির্ভর সভ্যতা ও মুঘল সম্রাট আকবরের নাম। বাংলা পঞ্জিকা আসার আগে এদেশে কর আদায় করা হতো হিজরি পঞ্জিকা বা আরবী মাসের সাথে মিলিয়ে। কিন্তু চাঁদের উপর নির্ভরশীল আরবী পঞ্জিকার সাথে ফসল উৎপাদন ও খাজনা আদায়ের সময়কাল পুরোপুরি সুবিধাজনক না হওয়ায় সম্রাট আকবর প্রাচীন বাংলা বর্ষপঞ্জীতে সংস্কার আনেন। প্রথমদিকে এর নাম ছিলো ফসলি সন। পরে এটি বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

পহেলা বৈশাখের গান

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো ¶¶¶¶¶¶¶¶¶

পয়লা বা পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। সারাদেশে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রবি ঠাকুরের চিরসবুজ গান ‘এসো হে বৈশাখ’-এর তালে তালে মেতে ওঠে গোটা জনপদের মানুষ। পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য শুধুমাত্র আনন্দ-উৎসবেই সীমাবদ্ধ নয়- বরং এতে লুকিয়ে আছে পুরাতনকে সাথে নিয়ে, জরা-দুর্দশাকে শক্তিতে পরিণত করে সামনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়।

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান, খাবার ও সংস্কৃতি

প্রতি বছরের মতো এবারও নতুন বাংলা বছর ১৪৩০ সনকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইংরেজী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল পালিত হবে। প্রচলিত বাংলা বর্ষবরণের অন্যান্য উপকরণের মতো এবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের তত্ত্বাবধানে মঙ্গল শোভাযাত্রা, রমনা বটমূলে পান্তা-ইলিশের সাথে সাথে পহেলা বৈশাখের কবিতা, ছবি, চিঠি ও সঙ্গীতের মাধ্যমে উদযাপন করা হবে নতুন বাংলা বছরকে। সাথে থাকবে বৈশাখী মেলা, নৌকা বাইচ, পুতুলনাচসহ আরো সব ঐতিহ্যবাহী আনন্দ-উৎসব অনুষঙ্গ।

নতুন সব বর্ণিল পোষাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ-শিশুদের আনন্দ কোলাহলে বাংলা নববর্ষ বেঁচে থাকুক আরো হাজার বছর- বাংলা ও বাঙালির শেকড়ের উৎসব হিসেবে, নতুনকে জয় করা ও সামনে এগিয়ে যাবার প্রত্যয়ে।

পহেলা বৈশাখ – অনলাইন কেনাকাটা

মেয়েদের পহেলা বৈশাখী কেনাকাটা অনলাইনে

ছেলেদের পাঞ্জাবী বৈশাখে

বৈশাখী রান্না
পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ - ইতিহাস ও বৈশাখী মেলার আদ্যপান্ত 21

বৈশাখে ঘরের সাজ
পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ - ইতিহাস ও বৈশাখী মেলার আদ্যপান্ত 22

নতুন বছরকে বরণ করতে নিশ্চিতভাবেই আপনার লাগবে বেশ কিছু অত্যাবশ্যকীয় বৈশাখী পোশাক, খাদ্য সামগ্রী ও বাহারী বৈশাখী উপকরণ। পয়লা বৈশাখে কেউ চাইবেন বৈশাখের রঙ্গে নিজেকে রাঙ্গাতে নতুন বৈশাখী পাঞ্জাবি কিংবা পহেলা বৈশাখের শাড়ি পড়তে। কেউবা চাইবেন পান্তা ইলিশ দিয়েই শুরু হবে নতুন বছর। কিংবা আপনার প্রয়োজন হতে পারে ঢোল, বাশি, ভূভুজেলা কিংবা ঐতিহ্যবাহী যে কোন বৈশাখী সরঞ্জাম। দারাজ অনলাইন শপ ক্রেতাদের জন্য তাই প্রতিবছরের ন্যায় এবারো আয়োজন করতে যাচ্ছে পহেলা বৈশাখ সেল উৎসব ১৪৩০ সাল। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বৈশাখী ক্যাম্পেইনটি চলবে একেবারে পহেলা বৈশাখ(pohela boishakh) পর্যন্ত। শুভ নববর্ষ!

Spread the love